.

Saturday, January 16, 2021

গাংনী পৌরসভা নির্বাচন- ২০২১

গাংনী প্রতিনিধি : ১৬ ই জানুয়ারী ২০২১ 
মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভা নির্বাচনে ৯ হাজার ৪শ’৬৭ ভোট পেয়ে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আহম্মেদ আলী বেসরকারী ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান মেয়র সতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম ২ হাজার ৬শ’৫১,বিএনপির প্রার্থী আসাদুজ্জামান বাবলু ৪শ’৮৮,ইসলামী আন্দোলনের আবু হুরাইরা ২শ’৩০ ও সতন্ত্র আনারুল ইসলাম ৫৭ ভোট পেয়ে পরাজিত হন।

পৌরসভার মোট ভোটার ২০ হাজার ৩৫৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ হাজার ৭৬০ ও নারী ভোটার রয়েছে ১০ হাজার ৫৯৭ জন। নির্বাচিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা হলেন,১ নং ওয়ার্ডে আলমগীর হোসেন,২ নং ওয়ার্ডে মিজানুর রহমান,৩ নং ওয়ার্ডে সামিউল ইসলাম,৪ নং ওয়ার্ডে আছেল উদ্দীন,৫ নং ওয়ার্ডে আতিয়ার রহমান,৬ নং ওয়ার্ডে নাসির উদ্দীন,৭ নং ওয়ার্ডে মকসেদ আলী,৮ নং ওয়ার্ডে হাফিজুল ইসলাম,৯ নং ওয়ার্ডে রাশিদুল ইসলাম। এবং সংরক্ষিত ১২৩ নং ফিরোজা খাতুন, ৪৫৬ নং ওয়ার্ডে ঝর্না খাতুন ও ৭৮৯ নং ওয়ার্ডে সাজেদা খাতুন নির্বাচিত হন। নির্বাচনে ৫জন মেয়র সহ ৫২জন প্রার্থী এ নির্বাচনে অংশ নেয়। শনিবার সন্ধ্যায় বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

Saturday, May 30, 2020

গাংনীর ইউএনও এর নামে ফেসবুক লাইভে মামলা করার হুমকি দিলেন মেয়র আশরাফুল

গত ২৮ মে বৃহস্পতিবার রাত ৮ টা ২৫ মিনিটে তার নিজ ফেসবুক পেইজে ( https://www.facebook.com/watch/live/?v=535994777070320&ref=watch_permalink) অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে প্রায় ৪০ মিনিটের লাইভ দেন। ইতোমধ্যে পৌর মেয়রের ফেসবুক লাইভটি ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন সহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় বইছে।
জানা গেছে,করোনা সংক্রমনের কারনে সরকার সারা দেশের ন্যায় গাংনী পৌরসভার ১২শ’ অসচ্ছল মানুষের ওএমএস চাল প্রদানের জন্য তালিকা তৈরির নির্দেশনা প্রদান করেন। তালিকায় অসচ্ছল ব্যক্তিদের ১০ টাকা কেজি দরে প্রতি মাসে ২০ কেজি চাউল দেয়া হবে। সেই তালিকার তদন্ত প্রতিবেদনে ১০৯ জনের সচ্ছল ও ঠিকানা বিহীন নাম থাকায় গত ১৮ মে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সংশোধনের নির্দেশনা দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান।
এ ঘটনায় গাংনী পৌর মেয়র আশরাফুল ইসলাম তার ফেসবুক লাইভ ভিডিওতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমানের বিরুদ্ধে আরসিসি পাইপ,জলাতংকের টিকা না দেয়া ও পুকুরে মাছ না ছেড়ে বিল উত্তোলন সহ বিভিন্ন কাজের নানা অনিয়মের অভিযোগের ফিরিস্তি তুলে ধরেন। এসময় পৌর মেয়র আশরাফুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমানের ব্যক্তিগত ও বিভিন্ন কর্মকান্ড নিয়ে বিদ্রুপ এবং নানা সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, ওএমএস তালিকায় কোন অনিয়ম হয়নি তদন্ত ছাড়াই সচ্ছল ও ঠিকানা বিহীন বলা হয়েছে। অনিয়মনের বিষয় গুলো তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম বলেই আমার সম্মানহানি করা হয়েছে। আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করে আদালতের দরজায় হাজির করবো।
এছাড়া বাড়িতে বসে অফিস করার অভিযোগ তুলে তালিকা যাচাই বাছাই কারীদের নাম প্রকাশের আহবান জানান মেয়র।
গত বৃহস্পতিবার গাংনী উপজেলা্র বর্তমান সমসাময়িক পরিস্থিতি বিষয়ে লাইভে ব্রিফকালে বিদায়ী ইউএনও কেমন মানুষ ছিলেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক জানান, এক কথায় তিনি অত্যন্ত ভালো ছিলেন। তাঁর নীতি আদর্শ সততা নিষ্ঠা ও যোগ্যতার প্রশংসা করা যায়। তিনি এখানে যোগদান করার পর করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে যোগ্যতা দেখিয়েছেন। সকলের সাথে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে কাজ করেছেন। সকলের ঐক্যমতে কাজ করেছেন। তিনি আরো আশা করেন বিদায়ী ইউএনও যেন গাংনীর মত নতুন কর্মস্থলে কাজ করে সুনাম অর্জন করেন এবং তিনি তার পরিবার পরিজন নিয়ে যেন সুখী থাকেন।
সদ্য বিদায়ী গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান বলেন,আরসিসি পাইপ সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সময় এডিবি থেকে প্রকল্প নিয়ে তিনিই বাস্তবায়ন করেছেন। তাছাড়া এডিবি থেকে ইউনিয়ন পরিষদে বরাদ্দ দেয়া হয় পৌরসভাকে নয়। জলাতংকের টিকা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেয়া হয়েছে তার সকল ডকুমেন্ট অফিসে সংরক্ষিত রয়েছে। মাছের বিষয়টা মৎস্য কর্মকর্তার কাছে খোঁজ নিয়ে সঠিক তথ্য জানা যাবে। এছাড়া সহকারী কমিশনার ভূমিকে দিয়ে পৌর এলাকায় তদন্ত করা হয়েছে সেখানে ১ হাজার ২শ জনের মধ্যে ১০৯ জনের সচ্ছল ও ঠিকানা বিহীন পাওয়া যায়। এছাড়া গাংনী উপজেলার দুস্থ অসহায় ২২ হাজার পরিবারের তালিকা প্রেরন করা হয়েছে সেই তালিকা ট্যাগ অফিসারকে দিয়ে কার্ড যাচাই বাছাই করা হয়েছে। এছাড়া নীতিমালা অনুযায়ী খাদ্য কর্মকর্তা কার্ড ইস্যুকারী একারনে তাকেই তালিকা সংশোধনের জন্য বলে আমি আমার দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেছি। এখানে মেয়রের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। এছাড়া জেলা প্রশাসককে ২৭ তারিখে এ বিষয়ে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, তালিকা যাচাই করে দেখা যায় তিনতলা বাড়ি গাড়ির মালিকদের কার্ড দেয়া হয়েছে। যেমন- গাংনী উত্তরপাড়ার জমির উদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলাম, উত্তরপাড়ার মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে ও হামিদ ডিজিটাল সাইন এর মালিক আঃ হামিদ ও আঃ হামিদের বোন এবং শ্রমিক নেতা ও সদর উদ্দিন মার্কেটের স্বত্বাধিকারী ফজলুল হকের স্ত্রী খালেদা খাতুন। এমনকি দুজন কাউন্সিলরের স্বামীকে তালিকা ভুক্ত করা হয়েছে। যাদের একজনের তিনতলা বাড়ি আরেকজন পৌরসভার নিয়মিত কর্মচারী। এছাড়া গার্মেন্টস মালিক,মার্কেট মালিকসহ পৌরসভার নিয়মিত সচ্চল কর্মচারীকে ওএমএসের তালিকায় অন্তভুক্ত করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন,পৌর মেয়র তার ফেসবুক লাইভে আক্রমনাত্মক এ ভাষায় আমার পারিবারিক, জেন্ডার ও সরকারী কাজের নানা সমালোচনা করতে গিয়ে মিথ্যাচার করেছেন। দাপ্তরিক কর্মকান্ডে ভুল ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তিনি আমার উর্দ্ধত্বন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করতে পারেন। কিন্তু তা না করে ফেসবুক লাইভে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের উদ্ধর্ত্বন মহলকে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন উপজেলার ২২ হাজার অসচ্ছল পরিবারের তালিকার মধ্যে পৌর এলাকার ৪ হাজার জনের নামের তালিকা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কার্যালয়ে প্রেরন করা হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা সেখান থেকেই নেয়া হয়। তিনি আরো বলেন ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার পুবেই তার বদলি হলেও এ বিষয় বিভ্রান্ত ছড়ানো হচ্ছে।
মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক আতাউল গনী বলেন, এখন পর্যন্ত লিখিত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত পেলে পরবর্তীতে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। উল্লেখ্য যে গত গত বৃহস্পতিবার দিলারা রহমানের শেষ কর্ম দিবস ছিলো। তাঁকে সরকারি নির্দেশে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলায় ১৮ মে বদলি করা হয়েছে।

Thursday, April 11, 2019

৩০ বছরের রাজনীতিতে প্রথম জয়

দীর্ঘ ৩০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে প্রথমবারের মতো একটি নির্বাচনে জয় পেয়েছেন মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক। উপজেলা নির্বাচনে গাংনীতে দলের চারজন বিদ্রোহী প্রার্থীকে পরাজিত করে প্রথমবারের তিনি নির্বাচিত হলেন জনপ্রতিনিধি হিসেবে।

নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এম এ খালেক তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ৪৭ হাজার ৩ শ ৬২ পান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মজিরুল ইসলাম পেয়েছেন ২৭ হাজার ৮ শ ৬৬ ভোট। ১৯ হাজার ৪৯৬ ভোটের ব্যবধানে খালেক জয় পান।

গাংনী উপজেলা ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। উপজেলাটির মোট ভোটার ২ লাখ ২৪ হাজার ৭৩১ জন। নারী ভোটার আছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ৮০১ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১০ হাজার ৯২৩ জন।

২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে এম এ খালেক নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করেন। ওই নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থী আমজাদ হোসেনের কাছে পরাজিত হন। ২০১৪ সালে দশম সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীক দেওয়া হয় তাঁকে। ওই নির্বাচনের দলের বিদ্রোহী প্রার্থী মকবুল হোসেন স্বতন্ত্র প্রতীকে নির্বাচন করে জয়ী হন। পরাজিত হন খালেক।

উপজেলা আওয়ামী লীগের দুজন নেতা বলেন, এম এ খালেকের রাজনৈতিক জীবনে এবারই প্রথম নির্বাচনে জয় পাওয়ার ঘটনা ঘটল। এই উপজেলা নির্বাচনের ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও পরিবেশ খুব ভালো ছিল। নির্বাচনটি ছিল মূলত খালেকের রাজনীতিতে টিকে থাকার যুদ্ধ। তিনিও সেভাবেই নির্বাচন যুদ্ধটি করেছেন।

নির্বাচনে জয় পাওয়া এম এ খালেক বলেন, ‘উপজেলাবাসীর কাছে জনবান্ধব উপজেলা গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমি। এবার উপজেলার উন্নয়নের জন্য কাজ করতে হবে। সামনে অনেক কাজ আছে। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর অনেক দায়িত্ববোধ কাজ করছে।’

Eprothom Aloএম এ খালেক ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতিতে যুক্ত হন। প্রথমে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতি করতেন। এরপর যুবলীগের রাজনীতি থেকে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হন।

Tuesday, March 26, 2019

গাংনীতে এম এ খালেক, জুয়েল ও ফারহানা ইয়াসমিন বিজয়ী

২৪ মার্চ,২০১৯ ৫ম উপজেলা নির্বাচনের ৩য় ধাপে গাংনী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।  উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ নেন মোট ৫ জন। এদের মধ্যে সর্বাধিক ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক তিনি তার নৌকা প্রতীকে ভোট পান ৪৭ হাজার ৩শ’ ৬২ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মজিরুল ইসলাম পেয়েছেন ২৭ হাজার ৮শ’ ৬৬ ভোট। এদিকে ভাইস চেয়ারম্যানে তরুণ প্রার্থীদের মধ্যে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই করে জয়লাভ করেছেন যুবলীগ নেতা এড. জুয়েল আহম্মেদ তিনি তার টিউবওয়েল প্রতীকে ১৯ হাজার ২শ’ ১৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক যুবলীগ নেতা মোঃ দেলোয়ার হোসেন মিঠু তার তালা প্রতীকে পান ১৮ হাজার ৬শ’ ৭১ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানে উপজেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদিকা ফারহানা ইয়াসমীন তার কলম প্রতীকে ৩২ হাজার ৯শ’ ৫১ ভোট পেয়ে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইতি পূর্বে নির্বাচিত সেলিনা মমতাজ কাকলি হাঁস প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ৬শ’ ৯১ ভোট।

Tuesday, August 26, 2014

গাংনী উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদের উপ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে ১২ হাজার ৬৮৯ ভোট পেয়ে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী আইয়ূব আলী (আনারস প্রতিক) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বিএনপি সমর্থিত মনিরুজ্জামান মনি তালা প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন এক হাজার ৩৭৩ভোট।
রির্টানিং অফিসার ও গাংনী উপজেলা নির্বাচন অফিসার সরওয়ার হোসেন ভোট গণনা শেষে বিকাল ৫ টার সময় ফলাফল ঘোষণা করেন। তিনি বলেন ১২ হাজার ৬৮৯ভোট পেয়ে আইয়ূব আলী আনারস প্রতিক নিয়ে বেসরকারীভাবে ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি মনিরুজ্জামান মনি পেয়েছেন এক হাজার ৩৭৩ ভোট। নির্বাচনে মোট পোল হয়েছে ১৪২৪০ ভোট । এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ১৭৮টি। ভোট পোলের শতকার হার ৮২.৪৮%।
আজ রবিবার সকাল ৮ টা থেকে ভোট শুরু হয়ে বিকাল ৪ টার সময় শেষ হয়।
নির্বাচন অফিসার মুহাম্মদ সরওয়ার হোসেন জানান, ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদে উপ-নির্বাচনে ১৭ হাজার ১২৯ জন ভোটার তাদের ভোটার ছিলো। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা  ৮ হাজার ৪৪১ জন ও নারী ভোটার ৮ হাজার ৬৮৮ জন।
তিনি আরো জানান, অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠভাবে নির্বাচন শেষ হয়েছে। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
তবে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মনিরুজ্জামান মনি ভোটে জালভোট, ভোটারদের ভয়ভীতি ও কারচুপির অভিযোগ এনে বেলা ১২ টার সময় গাংনী উপজেলা শহীদ মিনার চত্তরে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন বয়কট করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৯ ফেব্রুয়ারী ষোলটাকা ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান সাবদাল হোসেন কালু হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে এটি শুণ্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

Saturday, June 28, 2014

মিথ্যা নাম কুড়ালেন মেহেরপুর এর মেয়র

গত ২৩ জুন মেহেরপুর এর একটি অন লাইন দৈনিক এ দেখা যায় যে " মেহেরপুর পৌরসভার ওয়েভ পোর্টাল উদ্বোধন " শিরনামে একটি খবর প্রকাশ হয় , এবং ছবিতে দেখা যায় মেয়র ল্যাপটপ এ ক্লিক করে ওয়েভসাইট চালু করছেন  ।  কিন্তু যে ওয়েবসাইট  টি উদ্বোধন হল সংবাদ টি তে  সেই ওয়েবসাইট এর নাম উল্লেখ করা হয় নাই । পরে মেয়র এর ওয়েব পেজ এর মাধ্যমে ওয়েভ পোর্টাল এর নাম জানতে চাইলে  " meherpursadar.meherpur.gov.bd " টি দেন । কিন্তু সাইট টি প্রবেশ করলে দেখা যায় সেটি বাংলাদেশ সরকার এর একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রাম ও বেসিস (a2i) তৈরী করা এবং অনেক পুরানো যা প্রতিটি  জেলাতে সরকার অনেক আগেই বানিয়েছেন যা নতুন করে উদ্বোধন এর কিছু নেই ।শুধু  নতুন করে নাম নিলেন মেয়র ।