Tuesday, August 5, 2025
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদের আয় বেড়েছে, স্ত্রীর বেড়েছে সম্পদ
২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ফরহাদ হোসেন কলেজে শিক্ষকতা করে বছরে আয় করতেন ৬ লাখ ১২ হাজার ৩৪০ টাকা। ১০ বছর পর এখন তিনি কৃষি, ব্যবসা, শেয়ার ও প্রতিমন্ত্রীর পারিশ্রমিক মিলিয়ে বছরে আয় করেন ৭৭ লাখ ১ হাজার ৮৫০ টাকা। যা ২০১৪ সালের তুলনায় ১২ গুণ বেশি।
মেহেরপুর-১ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের তিনটি সংসদ নির্বাচনের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালে তাঁর স্ত্রী সৈয়দ মোনালিসা ইসলামের নগদ ৫ লাখ টাকা ও ৪০ ভরি সোনা থাকলেও এখন তাঁর অস্থাবর সম্পদের আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২০ লাখে। এর মধ্যে নগদ আছে ৪৭ লাখ ও ব্যবসায় বিনিয়োগ আছে ৪০ লাখ টাকা। যদিও কোনো হলফনামাতেই প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রীর আয়ের উৎসের কোনো তথ্য উল্লেখ নেই।
ফরহাদ হোসেন টানা তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর তিনি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০১৮ সালের নির্বাচনের হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় ফরহাদ হোসেন বছরে আয় করতেন ১০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। যার মধ্যে কৃষি খাতে ৪ লাখ, শেয়ার ও সঞ্চয়পত্র থেকে ১৫ হাজার ও অন্যান্য খাত থেকে ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
এবারের হলফনামায় উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী নগদ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, জিপ, স্বর্ণালংকার, আসবাব, ইলেকট্রনিক সামগ্রী মিলিয়ে প্রতিমন্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ২৭ লাখ ২ হাজার টাকা। ২০১৪ সালে যার পরিমাণ ছিল ২৬ লাখ ৬৬ হাজার ২৩৭ টাকা। ১০ বছরে অস্থাবর সম্পদ ১২ গুণ বেড়েছে। ১০ বছর আগে ফরহাদ হোসেনের হাতে নগদ টাকা ছিল ৯ লাখ। ২০১৮ সালে ছিল ৬ লাখ। এখন তাঁর হাতে নগদ টাকা আছে ১ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার। ওই সময় তাঁর স্ত্রীর হাতে নগদ ছিল ৫ লাখ টাকা। ১০ বছরের ব্যবধানে তা হয়েছে ৪৭ লাখ টাকা। আগে না থাকলেও এখন প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ঋণ হয়েছে ৫৬ লাখ টাকা।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম রসুল বলেন, ফরহাদ হোসেন সংসদ সদস্য হওয়ার পরই তাঁর ও তাঁর পরিবারের প্রত্যেকের অর্থনৈতিক করুণ পরিস্থিতি বদলেছে, যেন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছের মতো। এসব অর্থ তিনি কীভাবে আয় করেছেন তা সবার জানা।
সম্পদ বৃদ্ধির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা যখন যৌথ পরিবার ছিলেন তখন কৃষিজমি থেকে তাঁর নিজস্ব কোনো আয় ছিল না। পরিবারের সম্পত্তি বণ্টন হওয়ার পর কৃষিজমি হয়েছে। এই জমি থেকে আয় হতে শুরু করেছে। বেতন–ভাতা থেকে বছরে ৩০ লাখ টাকার সমপরিমাণ যোগ হচ্ছে। তিনি ঢাকায় কয়েকটি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সেখান থেকেও আয় হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীরা সব সময় আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার করে আসছে। আমার বিরুদ্ধে একটিও অবৈধ আয়ের উৎস খুঁজে বের করতে পারবে না তারা।’
প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রীর নামে ২০১৪ সালে কোনো জমি ছিল না। বর্তমানে তাঁর ২ বিঘা ৫ কাঠা কৃষিজমি রয়েছে, যার আর্থিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রতিমন্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা; ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ২৯ লাখ ১ হাজার টাকা; বন্ড, ঋণপত্র ও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ৬ লাখ ৩৩ হাজার টাকা; সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ৪০ লাখ টাকা; ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের জিপ গাড়ি, ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ২৫ ভরি সোনা (বিয়েতে উপহার ও উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া); ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের গৃহস্থালি সামগ্রী; ব্যবসায় বিনিয়োগ ৩১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা; ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যের শর্টগান ও পিস্তল এবং শেয়ার ব্যালেন্স ১২ হাজার ৭৫৩ টাকা। ২০১৮ সালে তিনি ৭৩ লাখ টাকার একটি জিপ ও ৭ লাখ টাকার একটি মাইক্রোবাস থাকার কথা উল্লেখ করেছিলেন।
স্থাবর সম্পদ হিসেবে প্রতিমন্ত্রীর ২৭৪ দশমিক ৪৫ শতক কৃষিজমি, ৩১ দশমিক ৪৩ শতক অকৃষিজমি ও উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পে ১ হাজার ৬৫৪ বর্গফুটের ফ্ল্যাট হয়েছে; যা ২০১৪ সালের হলফনামায় ছিল না। এগুলো উত্তরাধিকার ও ক্রয়সূত্রে পাওয়া বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ৫১ শতক অকৃষিজমি থাকার কথা উল্লেখ করেছিলেন। তাঁর স্ত্রীর নামে ২০১৪ সালে কোনো জমি ছিল না। বর্তমানে তাঁর ২ বিঘা ৫ কাঠা কৃষিজমি রয়েছে, যার আর্থিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রীর ২০১৪ সালে অস্থাবর সম্পদ হিসেবে ছিল নগদ ৫ লাখ টাকা, বিয়েতে উপহার হিসেবে পাওয়া ৪০ ভরি সোনা, ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার গৃহস্থালি সামগ্রী। বর্তমানে তাঁর হাতে নগদ ৪৭ লাখ টাকা রয়েছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সঞ্চয়পত্র বা স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ২০ লাখ টাকা, সাড়ে ৭ লাখ টাকার একটি মাইক্রোবাস, ১৩০ ভরি সোনা (বিয়েতে উপহার ও উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া), ৪ লাখ টাকার গৃহস্থালি সামগ্রী ও ব্যবসায় ৪০ লাখ টাকার বিনিয়োগ।
এবারের হলফনামায় ফরহাদ হোসেন আয়ের বিভিন্ন খাত উল্লেখ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, কৃষি থেকে তাঁর বছরে আয় ২৫ লাখ ১৮ হাজার টাকা; ব্যবসা থেকে ১৭ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৪ টাকা; শেয়ারবাজার ও ব্যাংক আমানত থেকে ৪ লাখ ২৮ হাজার ২০১ টাকা এবং পারিশ্রমিক, ভাতা, সম্মানি হিসেবে ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ২৭৫ টাকা আয় করেন।
https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/acuem30m12
Thursday, April 18, 2024
ফরহাদ হোসেন মন্ত্রী হওয়ায় মেহেরপুরে আনন্দের বন্যা
১১ জানুয়ারি ২০২৪, ২০:৪১
ফরহাদ হোসেন মেহেরপুর-১ আসন থেকে টানা তিন বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর পূর্ণ মন্ত্রী হয়ে পুনরায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন
২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান এ রাজনীতিবিদ।
বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী মুজিবনগরের মেহেরপুরে এই প্রথম মন্ত্রী হলেন। এই খবরে তার বাড়ির সামনে হাজারো মানুষ ভিড় করে। শুরু হয় মিষ্টি বিতরণ।
ফরহাদ হোসেন এমপি থাকাকালে ব্যাপক উন্নয়ন ছাড়াও মেহেরপুরকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত জেলা গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
এমপি ফরহাদ হোসেন দোদুলের পিতা প্রয়াত মোহাম্মদ সহিউদ্দিন মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে মেহেরপুর থেকে তৎকালীন পাকিস্থান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম সংগঠক প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
১৯৭৩ সালে মোহাম্মদ সহিউদ্দিন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে মেহেরপুর আসন থেকে নির্বাচিত হন এবং ৭৫ সালে মেহেরপুর জেলার গর্ভনর নিযুক্ত হন। তিনি ৮৬ সালেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
এই অঞ্চলের অবিসংবাদিত নেতা ৬৭ বছর বয়সে ১৯৯০ সালে মৃত্যু বরণ করেন। তিনি ছিলেন মেহেরপুরর অজাতশত্রু।
প্রয়াত সহিউদ্দীনের তৃতীয় পুত্র ফরহাদ হোসেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২য় বারের মতো এমপি নির্বাচিত হন। তিনি ঢাকা সিটি কলেজের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।
Wednesday, December 7, 2022
Thursday, June 16, 2022
মেহেরপুর পৌরসভাসহ ইউপিতে নৌকা ৩ একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী
মেহেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে মাহফুজুর রহমান রিটন বিপুল ভোটে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও ৪ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনটিতে নৌকা এবং একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয় লাভ করেছেন।
মেহেরপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনিত নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মাহফুজুর রহমান রিটন পেয়েছেন ১৫ হাজার ৪৬১ ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক মেয়র মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতু নারকেল গাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৪৪৬ ভোট।
এদিকে, আমঝুপি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনিত ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বোরহান উদ্দীন চুন্নু দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীকে নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ৫২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শফিকুল ইসলাম ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৪৬৫ ভোট।
পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে আব্দুস সামাদ বাবলু বিশ্বাস।
তিনি নৌকা প্রতীকে তিনি ৮ হাজার ৫৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুস সালাম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ২১০ ভোট।
নবগঠিত বারাদী ইউনিয়নে প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম। নৌকা প্রতীকে তিনি ৫ হাজার ৩২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরমান আলী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৫৪ ভোট।
এছাড়া শ্যামপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মতিয়ার রহমান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। চশমা প্রতীকে তিনি ৬ হাজার চার ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাসেম আলী ঘোড়া প্রতীকে ৩ হাজার ২৩১ ভোট পেয়েছেন।
টানা দ্বিতীয় মেয়াদে নগরপিতা হলেন মাহফুজুর রহমান রিটন
জুন ১৫, ২০২২
মেহেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৮০১৫ ভোটের ব্যাবধানে মাহফুজুর হমান রিটন পুন: নির্বাচিত হয়েছেন। মাহফুজুর রহমান রিটন নৌকা প্রতিক নিয়ে ১৫৪৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রতিদ্বন্ধী একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী মোতাছিম বিল্লাহ মতু (নারকেল গাছ) ৭৪৪৬ ভোট পেয়েছেন।
মেহেরপুর পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৪ হাজার ৭৮৪ জন। এদের মধ্যে নারী ভোটার সংখ্যা ১৮ হাজার ১৫ ও পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১৬ হাজার ৭৬৯ জন। পৌরসভায় ১ হাজার ২৪৬ জন নারী ভোটার বেশী পুরুষের তুলনায়।
মেহেরপুর জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ আবু আনছার জানান, এরই মধ্যে সার্বিক প্রস্ততি শেষ হয়েছে। আশা করছি একটি অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সব ঠিকঠাক থাকলে কাল সকাল থেকে ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে ভয়ভীতির উর্দ্ধে থেকে পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিবে।
পৌরসভায় সাধারণ সদস্য পদে ৪৩ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করবেন
মেহেরপুর পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী মাহফুজুর রহমান রিটন (নৌকা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতু (নারিকেল গাছ) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।এছাড়া ১ নং ওয়ার্ডে মোয়াজ্জেম হোসেন (টেবিল ল্যাম্প) মীর জাহাঙ্গীর আলম (পানির বোতল) গোলাম ফারুক (পাঞ্জাবী), রাজীব আহম্মেদ (ডালিম), রাশেদুজ্জামান (উটপাখি) ২ নং ওয়ার্ডে সঞ্জয় কুমার শাহ (উটপাখি), আল মামুন (টেবিল ল্যাম্প), তপন কুমার (পাঞ্জাবী), ওয়াসিম খান (ব্লাকবোর্ড), শফিকুল ইসলাম (ডালিম), ইয়াসিন আলী শামীম হোসেন (পানির বোতল), তিন নং ওয়ার্ড ইনছান আলী (টেবিল ল্যাম্প), শাকিল রাব্বী ইভান (ডালিম), সৈয়দ আবু আব্দুল্লাহ (পানির বোতল), জাহাঙ্গীর আলম (উটপাখি), ৪ নং ওয়ার্ড আব্দুর রহিম (পানির বোতল), নুরুল ইসলাম (ডালিম), রিয়াজ উদ্দীন (উটপাখি) ৫ নং ওয়ার্ড হাসেম আলী (উটপাখি), এসএম আবুল হাসনাত (পানির বোতল), শরিফুল ইসলাম (টেবিল ল্যাম্প), আক্তারুল ইসলাম (পাঞ্জাবী), মোস্তাক আহম্মেদ (ব্রীজ), ৬ নং ওয়ার্ড সৈয়দ মুঞ্জুরুল হাসান (পানির বোতল), শামীম রেজা (টেবিল ল্যাম্প), বোরহানুল াাযীম (উটপাখি), শাহিনুর রহমান (পাঞ্জাবী), ৭ নং ওয়ার্ডে এসএম ফিরোজুর রহমান (পাঞ্জাবী), নুরুল আশরাফ রাজীব (উটপাখি),মনিরুল ইসলাম (পানির বোতল), ইলিয়াস হোসেন (গাজর), তারিকুল ইসলাম (টেবিল ল্যাম্প) ৮ নং ওয়ার্ড খন্দকার শফিউল কবীর (পাঞ্জাবী), সৈয়দ মুঞ্জুরুল কবীর (ডালিম), একে শাকিল আহম্মেদ (পানির বোতল), আব্দুস সাত্তার (ব্রীজ), সাখাওয়াত হোসেন (টেবিল ল্যাম্প), মতিয়ার রহমান (গাজর), নাজমুল হাসান (ব্লাকবোর্ড), রিন্টু রহমান (উটপাখি), ৯ নং ওয়ার্ড সোহেল রানা ডলার ( পানির বোতল),মোহাম্মদ বিন কাশেম (উটপাখি), আমিরুল ইসলাম (টেবিল ল্যাম্প)এছাড়া সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১ নং ওয়ার্ড ইতি বেগম (বলপেন), আল্পনা খাতুন (জবা ফুল), দিল আফরোজ (চশমা),মনোয়ারা খাতুন (আনারশ), ২ নং ওয়ার্ড শিউলী আক্তার (জবা ফুল), ফিরোজা খাতুন (চশমা), মোমেনা বেগম (আঙটি), বিলকিস খাতুন (আনারস) পলি খাতুন (অটোরিকসা), আফরোজা আক্তার (টেলিফোন), শারমীন আক্তার (বলপেন) খাদিজা বেগম (দ্বিতল বাস), ৩ নং ওয়ার্ড সীমা চৌধুরী (জবা ফুল), হামিদা খাতুন (চশমা), রোকসানা (আনারস)প্রতিকে ভোট করছেন।
মেহেরপুর পৌরসভায় মোট ২০ টি ভোট কেন্দ্রে ১২২ টি কক্ষে ভোট গ্রহণ চলবে।
১ নং ওয়ার্ডে ভোট কেন্দ্র মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভোটার সংখ্যা ১৩৩০ জন, গ্লোরিয়াস প্রি ক্যাডেট একাডেমী ভোট কেন্দ্র, ভোট সংখ্যা ২০১৮ জন ও নতুনপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৬৮১ জন।, ২ নং ওয়ার্ডে সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় দক্ষিণ ভবন ভোট কেন্দ্রে ভোট সংখ্যা ১৮৮৯ জন, সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় উত্তর পশ্চিম ভবন ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১৮৪৪ জন।, ৩ নং ওয়ার্ডে তাঁতীপাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা দক্ষিণ ভবন ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১৪৩৮ জন, তাঁতীপাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা উত্তর ভবন ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১৫২৮ জন, ৪ নং ওয়ার্ড শেখপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১৫৮৪ জন, সহি উদ্দীন ডিগ্রী কলেজ ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ২১১১ জন, কালাচাঁদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১৪৩০ জন। ৫ নং ওয়ার্ডে হোলি পাবলিক প্রি ক্যাডেট এন্ড জুনিয়র হাইস্কুল ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১১৮২ জন, দীঘিরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ২২১৯ জন, ৬ নং ওয়ার্ড বড়বাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬৪২ জন, পৌর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংথ্যা ১২২২ জন। ৭ নং ওয়ার্ড, সরকারী উচ্চ বালক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে (পশ্চিম ভবন) মোট ভোটার ২৪৬৭ জন, সরকারী উচ্চ বালক বিদ্যালয় পূর্ব ভবন ভোট কেন্দ্রে ভোট সংখ্যা ২৬৪৫ জন, ৮ নং ওয়ার্ড মেহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র নতুন ভবন, ভোটার সংখ্যা ১৪৫৯ জন, একই কেন্দ্রের পুরাতন ভবন ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৫৯৩ জন, ৯ নং ওয়ার্ড মেহেরপুর দারুল উলুম আহমাদীয় ফাজিল মাদ্রাসা এক নং ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৭৭৬ জন ও একই কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ১৯২৬ জন।
তিনটি ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ভোট ১ নং ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ১১৫২৮ জন, ২ নং ওয়ার্ডে ১১৩৯০ জন ও ৩ নং ওয়ার্ডে ১১৮৬৬ জন।
Wednesday, March 23, 2022
ধর্ষণের অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কৃত ছাত্র ইউনিয়ন নেতা আকিফ
২১ মার্চ ২০২২, ০৭ চৈত্র ১৪২৮, ১৭ শাবান ১৪৪৩, নয়া দিগন্ত
ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে সংগঠন থেকে বহিষ্কার হয়েছেন ছাত্র ইউনিয়ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আকিফ আহমেদ।
গত ২০ মার্চ দায়ের অভিযোগ ও অভিযুক্তের স্বীকারোক্তিমূলক পদত্যাগপত্রের ভিত্তিতে সোমবার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এ বহিষ্কারাদেশ দেন সংগঠনটির উর্ধ্বতন নেতারা।
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত বহিষ্কারাদেশে অভিযোগ এবং স্বীকারোক্তি বিবেচনায় ছাত্র ইউনিয়ন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের ৩৪তম কার্যনির্বাহী পরিষদের দ্বিতীয় সভায় গঠনতন্ত্রের ধারা মোতাবেক অভিযুক্ত আকিফ আহমেদকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সিদ্ধান্ত মোতাবেক, সংগঠনের যেকোনো স্তরের যেকোনো কার্যক্রমের সাথে অভিযুক্ত আকিফ আহমেদের সংশ্লিষ্টতা অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
অভিযোগকারী আগামীতে যেকোনো (আইনি) পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চাইলে ছাত্র ইউনিয়ন সর্বোচ্চ সহযোগিতামূলক আচরণ প্রদর্শন করবে বলেও জানানো হয়।
বিষয়টি সম্পর্কে অভিযুক্ত আকিফ আহমেদ বলেন, এক বছর আগে তার সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক থাকাকালে এমন কিছু হয়েছিল। পরবর্তীতে আমরা আবার রিলেশনে যাই এবং দু’জনের মাঝে বনাবনি না হওয়ায় ২ মাস আগে আবার সম্পর্কচ্ছেদ হয়। এখন তার অন্য একটা ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে যার সাথে আমার ছাত্র ইউনিয়ন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের বিরোধ রয়েছে। তাই বলা যায়, ছাত্র ইউনিয়নে আমার দায়িত্ব গ্রহণের এ সময়ে এক বছরের পুরনো বিষয়ে অভিযোগ আনার পেছনে কোনো তৃতীয় ব্যক্তির স্বার্থ জড়িত থাকতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখলে অনেক কিছুই বের হয়ে আসবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক আদনান বলেন, এক বছরের পুরনো হোক আর ১০ বছর হোক, ভুক্তভোগী যেকোনো সময় চাইলে অভিযোগ করতে পারে। এখন এ বিষয়ে আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ এসেছে এবং একইসাথে অভিযুক্তের লিখিত পদত্যাগপত্রও এসেছে। এ দু’য়ের সমন্বয়ে বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে ওঠে যে, অভিযুক্ত আসলেই অপরাধী। তাই সাংগঠনিক জায়গা থেকে তাকে বহিষ্কার করা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি শিমুল কুম্বকার বলেন, আমরা একটা অভিযোগ পেয়েছি এবং অভিযুক্ত তার দায় স্বীকার করেছেন। অভিযোগ ও অভিযুক্তর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আমরা সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় তাকে বহিষ্কার করেছি।
এক বছরের পুরনো ঘটনা টেনে এনে অন্য কেউ এখানে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ, এখানে এমন কিছু থাকতেই পারে। তবে অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির কারণে আমাদের সেই বিষয়ে তদন্তের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। ফলে আমরা আমাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে বাধ্য হই।
উল্লেখ্য যে : আকিফ আহমেদ মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুন এর ভাই মেহেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এবং মেহেরপুর সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মারুফ হোসেন বিজনের একমাত্র ছেলে
Thursday, March 10, 2022
মেহেরপুরে যুবলীগ নেতা বিপুল হত্যা মামলার সব আসামি খালাস
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২,
মেহেরপুর পৌরসভার কাউন্সিলর ও জেলা যুবলীগ নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন বিপুল হত্যা মামলার সব আসামিকেই বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ মো. ওয়ালিউল ইসলাম এ আদেশ দেন।
খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি সাজ্জাদুল আনাম, যুবলীগ নেতা ইয়ানুস শেখ, মাহফুজ আলী, আফজাল হোসেন ও বাদশা মিয়া।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৮ জানুয়ারি সোমবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে মেহেরপুর শহরের কাসারি পাড়ায় জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক (সাবেক সহপ্রচার সম্পাদক) শহিদুল ইসলামের বাড়িতে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে জেলা যুবলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলর আবদুল্লাহ আল মামুন বিপুল যোগ দেন। অনুষ্ঠান চলাকালে অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজন অস্ত্রধারী ব্যক্তি সেখানে প্রবেশ করে তাঁকে লক্ষ্য করে পরপর তিনটি গুলি করেন। এতে তাঁর মাথা ও বুকে গুলি লাগে। তাঁকে উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠান চলাকালে অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজন অস্ত্রধারী ব্যক্তি এসে কাউন্সিলর আবদুল্লাহ আল মামুনকে লক্ষ্য করে পরপর তিনটি গুলি করেন। এতে তাঁর মাথা ও বুকে গুলি লাগে।
এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিপুলের স্ত্রী বিলকিস আরা বেলী বাদী হয়ে দুদিন পর জেলা মেহেরপুর যুবলীগের তৎকালীন সভাপতি সাজ্জাদুল অনাম, অর্থ সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র মাহাফুজুর রহমান, শহিদুল ইসলামসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পৌর মেয়র মাহফুজুর রহমান ও তাঁর শ্যালক আরিফুর রহমান, জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি সাজ্জাদুল আনামকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়। পরে মামলা সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হলে শহিদুল ইসলাম, তাঁর ভাই বাদশা, ইয়ানুস, আফজাল, মাহফুজ ও জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি সাজ্জাদুল আনামকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পল্লব ভট্টাচার্য। আসামিপক্ষে ইয়ারুল ইসলাম, কামরুল ইসলামসহ একাধিক আইনজীবী মামলা পরিচালনা করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী ইয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা রায়ে সন্তুষ্ট।’ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পল্লব ভট্টাচার্য বলেন, ‘বিচারক অভিযোগপত্রভুক্ত ছয় আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। আমরা রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পেলে পরবর্তীকালে আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’
Wednesday, May 19, 2021
ইউপি সোহেল রানা গাজাসহ হাতে নাতে ধরা ও গণধোলাই (ভিডিও)
০১ নং কুতুবপুর ইউনিয়নের ০৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সোহেল রানা মেম্বার পিতা মোঃ সাখাওয়াত বিশ^াস গাজাসহ হাত নাতে ধরা।
বিগত দুই দিন আগে কুতুবপুর ইউনিয়নের ০৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সোহেল রানা গাজাসহ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা ০১ (এক) কেজি পরিমান গাজাসহ গ্রামবাসীর নিকট হাতে নাতে ধরা ও গণধোলাই এর স্বীকার হয়। সরজমিনে তার গ্রাম পরিদর্শন করে জানা যায় যে তিনি এই ব্যবসা অনেক দিন ধরে চলিয়ে আসছিলেন। এবং ইতিপূর্বে তার নামে মানব পাচার ও আদম ব্যবসার জন্য মেহেরপুর সদর থানায় কয় একটা মামলার আসামী। ইউপি সোহেল রানা জেলা সৈনিক লীগের সভাপতির দায়িত্বে আছেন।
Friday, September 25, 2020
নিমতলা কোর্ট চত্বর মেহেরপুর
Wednesday, August 12, 2020
সাবেক জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি এর নামে মামলা
মেহেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বারিকুল ইসলাম লিজন ও সদর থানার ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আনন্দর নামে আদালাতে মামলা ও সদর থানায় এজহার করেছে খোকন নামে এক ব্যক্তি। অজ্ঞাতনামা রয়েছে ৬/৭ জনের বিরুদ্ধে।
বুধবার দুপুরে এ মামলা করা হয়েছে মেহেরপুর আদালাতে। মামলা নং ১৯৯/২০। মামলা তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশের(ডিবি) কাছে দিয়েছে আদালত। লিজন আমদাহ ইউপি চেয়ারম্যান আনারুল ইসলামের ছেলে। আনন্দ শহরের গোরস্থান পাড়ার আব্দুল বারি ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, মেহেরপুর সদর উপজেলা আশরাফপুর গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান হবির ছেলে খোকন কে মারপিট করেছে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বারিকুল ইসলাম লিজন ও সদর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আনন্দ।
গত ১ আগস্ট ঈদের দিন বিকালে আশরাফপুর গ্রামের সোহাগ ও আশরাফুল নামে দুই যুবক সজিবকে এলোপাতাড়ি ভাবে কুপিয়ে জখম করলে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।
গ্রামের ছেলে হিসেবে সজীবকে হাসপাতালে দেখতে যায় খোকনসহ কয়েকজন। পরে লিজন ও আনন্দ সহ অজ্ঞাতনামা ৬/৭ জন হাসপাতালের ভিতরে গিয়ে খোকনকে বলে এই তোরা এখানে কি করতে এসেছিস এই বলে হত্যার করার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ী মারপিট করে খোকনকে। পরে পুলিশ গেলে জখম করে তাকে ফেলে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় হত্যার হুমকি দিয়ে বলে পরে দেখে নেব।
এই বিষয়ে বারিকুল ইসলাম লিজন ও আনন্দের সাথে কথা বললে-তারা জানায় এই শব ভুয়া ও মিথ্যা সাজানো নাটক। সঠিক ভাবে তদন্ত করা হলে আসল ঘটনা বের হয়ে আসবে।
Saturday, September 7, 2019
মালিক মীর সউদ আলী চন্দন (৫৮) আর নেই
Wednesday, March 27, 2019
সদর এ অ্যাড. ইয়ারুল ইসলাম, মোমিনুল ইসলাম এবং আফরোজা খাতুন নির্বাচিত
Friday, March 1, 2019
বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হলেন অ্যাড. ইয়ারুল ইসলাম
Saturday, February 9, 2019
ইতিহাসের দায় মোচন
Tuesday, December 11, 2018
মোঃ বাকের আলি
Thursday, December 14, 2017
মেহেরপুরের বীরাঙ্গনা
মেহেরপুরের দুই বিরাঙ্গনা মারা গেছে। এক বিরাঙ্গনা বিভিন্ন বাড়িতে ঠিকে ঝিয়ের কাজ করে। আরেক বিরাঙ্গনার কন্যা নিজেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কণ্যা বলে দাবী করে। এবং সে বীরাঙ্গণা কণ্যা পরিচয়ে গর্ব করে। একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বের জন্য অনেকে অনেক খেতাব পেয়েছেন। কেউ বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম, বীর প্রতীক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। কিন্তু মেহেরপুরে মুক্তিযুদ্ধে ভাষাণ ঘরামির মেয়ে বুড়ি, ফৌজদারি পাড়ার মফে শেখের মেয়ে ঈষা (জাহানারা), একই পাড়ার সুরমান হকের স্ত্রী সাজি খাতুন ও কাশ্যব পাড়ার কাঠফাড়ায় মিস্ত্রি ইছারদির মেয়ে মুনজুরা খাতুনদের বীরাঙ্গণা হিসেবে চিহ্নিত করা হযনি। পাকসেনারা আদিম উন্মত্ততার ফসল বিরাঙ্গনা মুনজুরার মেয়ে ছেপি খাতুন। এই বীরাঙ্গনা কন্যা ও বীরাঙ্গনাদের ভাগ্যে আজও জোটেনি মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি। কালের গহ্বরে তাদের অবদান যেন ছাইচাপা পড়েছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসেও এরা উপেক্ষিত। কঠিন বাস্তবতার মধ্যে তারা বসবাস করছে। এরমধ্যে মারাগেছে মুনজুরা ও বুড়ি।
স্বাধীনতার পর বীরাঙ্গনাদের পুনর্বাসনে এগিয়ে আসেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ১৯৭২ সালে প্রতিটি জনসভায় বীরাঙ্গনাদের উদ্দেশে বলেন, “কেউ যদি বীরাঙ্গনার সন্তানদের পিতার নাম জিজ্ঞেস করে, তবে বলে দিও তাদের পিতা শেখ মুজিবুর রহমান। আর তাদের ঠিকানার পাশে লিখে দিও ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর।” মুক্তিযুদ্ধের সময় লাঞ্ছিত, নির্যাতিত নারীদের বীরাঙ্গনা খেতাব দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। অথচ মেহেরপুরের বীরাঙ্গণাদের স্থানীয সমাজ তখা রাষ্ট্র মূল্যায়ন করেনি। স্বাধীনতা পরবর্তী এদের জীবন চলছে কঠিন বাস্তবতার মধ্যে।
পাকসেনাদের লালশায় মুনজুরার গর্ভে জন্ম হয় একটি কন্যা সন্তানের। বীরাঙ্গণা জননী মুনজুরার মেয়ে ছেপি বলেন ‘দেশের মধ্যে থেকে আমার মা একাত্তরে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছে। আমার জন্ম পাক সেনাদের ঔরসে। অথচ কোন সরকারই আমার মায়ের আত্মত্যাগের কোন মূল্য দেয়নি। দেয়নি তার ত্যাগের স্বীকৃতি। চিকিৎসার অভাবে মায়ের মৃত্যু এখনও তাকে কুরে কুরে খায়। ছেপি খাতুন একথা বলতে গিয়ে ডুকরে কেঁদে ওঠেন। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে জন্ম হয় ছেপি খাতুনের। বর্তমানে ছেপি কাশ্যব পাড়ায় বসবাস করলেও সে তার পিতার নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার ঠিকানা ধানমণ্ডি- ৩২ নম্বর বলে জানায়। কারণ হিসেবে বলেনÑ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে বীরাঙ্গণার কন্যাদের এই পরিচয়ে পরিচয় দেয়ার জন্য বলেছে বলে লোকমুখে শোনা কথা অনেকের কাছেই জাহির করে। ছেপি জানায় জন্ম নিয়ে তার ক্ষোভ নেই। বরং তার মা জন্মকালে মেরে না ফেলে তাকে লালন পালন করেছে এটা তার বড় গর্বের।
ছেপি স্বীকার করে বলেন তার মা মুনজুরা খাতুনের স্বাধীনতা পরবর্তী আছে এক কালো অধ্যায় (শরীর বিক্রি)। সেই কালো অধ্যায় থেকেই ভরণ পোষণ করেছেন ছেপির। পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি ফেরি করে শাড়ি বিক্রি করতেন। ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় মেহেরপুর শহরে বড়বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ দিকের একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতো মুনজুরা। একদিন পাকসেনারা তার বাড়িতে এসে জোরপূর্বক কয়েকজন পাকসেনা পালাকরে তাকে ধর্ষণ করে । পরবর্তীতে গুলি করে হত্যা করবে বলে ভয় দেখিযে পাকসেনারা নিয়মিত ধর্ষণ করতো। মুনজুরা খাতুন নিজ প্রাণের সাথে দেশের জন্য তাদের দাবী মেনে নেয়ার কথা শুনিয়েছেন বেঁচে থাকা কালে।
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে মুনজুরাকে সমাজ মেনে নেয়নি। মেনে নেয়নি বাবা-মা ও আত্বীয় স্বজন। তবে সিরাজুল ইসলাম নামে এক যুবক তাকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা দেয়। কিন্তু সেই সংসার বেশীদিন টেকেনি। পরবর্তীতে অর্থকষ্টে চিকিৎসার অভাবে ১৯৯৮ সালের ২৫ মে মারা যায়। মুনজুরা খাতুন মেহেরপুরের মন্ডল পাড়ার কাঠফাড়ায়ের মিস্ত্রি ইছারদ্দির মেয়ে। এই বীরাঙ্গনার কন্যা ছেপি তার মায়ের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতির দাবী করে।
পাক সেনাদের আরেক গণধর্ষণের শিকার মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের মফের শেখের কন্যা জাহানারা খাতুন (ঈশা)। কথা হয় জাহানারার সাথে। জাহানারা বলেনÑ গ্রামের রাজাকার আবুল খাঁর সাথে তার বিয়ে হয় ১৯৭০ সালে। তখন বয়স ১৭। এরই মধ্যে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। স্বামী রাজাকারে নাম লেখায়। মুক্তিযুদ্ধকালীন মে মাসের দিকে রাজাকার স্বামীর শারীরীক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বাড়ি থেকে বের হয়ে আসে মেহেরপুরে। এসময় পাকসেনারা তাকে ধরে নিয়ে যায় মেহেরপুর কোর্টচত্বরে পাকসেনা ক্যাম্পে। সেখানে পাকসেনারা পালাক্রমে ধর্ষন করে। এই লজ্জায় সে আর গ্রামে ফিরতে পারিনি। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে গ্রামে একমাত্র ভাই ফরজ আলীর কাছে গিয়ে আশ্রয় মেলেনি পাকিস্তানী সেনাদের ধর্ষিতা বলে। ফিরে আসে মেহেরপুর শহর। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বিয়ে হয় মান্নান খা নামে এক মোটর সাইকেলের মেকারের সাথে। সেই স্বামীর সাথে মনোমালিন্য হবার কারণে সম্পর্ক ছেদ করতে হয়েছে। জাহানারা এখন শিল পাটা ফেরি করে বিক্রি করেন। মান্নান খার ঔরসে জন্ম নেয়া একমাত্র ছেলে মোটর সাইকেলের মেকার। পাকসেনাদের ধর্ষনের স্বীকার জাহানারা জানায় স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে মেহেরপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমাণ্ডারের কাছে বিভিন্ন সময়ে সাহায্য সহযোগিতা চেয়ে আবেদন করেছে কিন্তু কোন সাহায্য সহযোগিতা মেলেনি।
মেহেরপুর শহরের ফৌজদারি পাড়ার সুরমান আলীর স্ত্রী সাজি খাতুন। মুক্তিযুদ্ধের জুনমাসের প্রথম দিকে অসুস্থ স্বামীর সেবা শুশ্রষা করছিলো। বাড়ির পাশ দিয়ে পাকসেনাদের একটি দল যাবার সময় সাজিকে চোখে পড়ে । তার বাড়িতে প্রবেশ করে পাকসেনাদের দল। বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধা আছে বলে সাজিকে মারধর শুরু করে। এ সময় হাঁপানীর রোগী স্বামী সুরমান বাধা দিতে গিয়ে স্ট্রোক করে মারা যায়। মৃত স্বামীর পাশে সেই পাকসেনারা সাজিকে নিয়ে আদিম উন্মত্ততায় মেতে ওঠে। পরবর্তীতে তাকে প্রতিদিন পাকসেনাদের কলেজ ক্যাম্পে যাতায়াত করতে হতো। এমনই তথ্য দেন সাজি। মুক্তিযুদ্ধের পর সাজি ভেবেছিল স্বাধীন দেশ আর দেশের মানুষই তার নতুন অবলম্বন হয়ে উঠবে। কিন্তু এই দেশ বা দেশের মানুষ কেউই তাকে মনে রাখেনি। তার অবলম্বনও হয়ে ওঠেনি। এ পর্যন্ত কেউ তার সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। সাজি এখন বিভিন্ন বাড়িতে ঠিকে ঝিয়ের কাজ করে।
মেহেরপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কামাণ্ডার বশির আহমেদ জানানÑ জাহানারা, মুনজুরা ও সাজি পাকসেনাদের ধর্ষনের স্বীকার। তারা দেশের ভেতর থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে। মুনজুরা বেঁচে থাকাকালে এবং ঈষা কয়েকবছর আগে তাদের বর্তমান দুরাবস্থার কথা জানিয়ে সাহায্য সহযোগিতা চেয়েছিল। তাদের পরামর্শ দেয়া হয় সরাসরি মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ে আবেদন করতে। কিন্তু তারা আবেদন করেনি।
Monday, October 30, 2017
মেহেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচন, ২৮ ডিসেম্বর,২০১৬
মেহেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনের বেসরকারী ফলাফলে সাধারণ সদস্য পদে যারা নির্বাচিত হয়েছেন।ম প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক পেয়েছেন ৬ ভোট , ২ নম্বর ওয়ার্ডে (দারিয়াপুর ও মোনাখালী ইউনিয়ন) আজিমুল বারী মুকুল পেছেছেন ১৭ ভোট। তার নিকট তম প্রার্থী রফিকুল ইসলাম গাইন পেয়েছেন ৯ ভোট, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে (মেহেরপুর পৌরসভা) হাসানুল হক সবুজ পেয়েছেন ৮ ভোট। তার নিকট তম প্রার্থী মিজানুজ্জামান অপু ৭ ভোট, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে (কুতুবপুর ইউনিয়ন) মিরন আহমেদ ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী ইদ্রিস আলী মাষ্টার ৪ ভোট, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে (বুড়িপোতা ইউনিয়ন) আব্দুল কুদ্দুস ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আবুল হাসেম পেয়েছেন ৩ ভোট , ৭ নম্বর ওয়ার্ডে (পিরোজপুর ইউনিয়ন) রফিকুল ইসলাম ৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ৫ ভোট, ৮ নম্বর ওয়ার্ড (আমঝুপি ইউনিয়নে) খাজা মঈনুদ্দিন লিটন ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আব্দুস সামাদ ৩ ভোট, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে (ধানখোলা ইউনিয়ন) নির্বাচিত হয়েছেন শওকত আলী ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক পেয়েছেন ৬ ভোট, ১০ নম্বরওয়ার্ডে (গাংনী পৌরসভা ও রাইপুর ইউনিয়ন) মজিরুল ইসলাম ২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আনারুল ইসলাম পেয়েছেন ২ ভোট , ১২ নম্বর ওয়ার্ডে (দারিয়াপুর ও মোনাখালী ইউনিয়নে ) মোহাম্মদ আলী ৯ ভোট পেযে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী নাজমুল হুদা বিশ্বাস পেয়েছেন ৫ ভোট । ১৩নম্বর ওয়ার্ডে (কাজীপুর ইউনিয়ন) মুনছুর আলী ৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী হাফিজুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ ভোট, ১৪নম্বর (ষোলটাকা ও বামন্দি ইউনিয়ন) আইয়ুব আলী ১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৮ভোট , ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে (মটমুড়া ইউনিয়ন) তোফাজ্জেল হোসেন ৭ পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৫ ভোট
এছাড়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ( আমদহ ও মহাজনপুর ইউনিয়নে) আসলাম হোসেন শিলু এবং ১১ নম্বর ওয়ার্ডে ( কাথুলী ও সাহারবাটি ইউনিয়নে) তৌহিদ মুর্শেদ বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
জামানত খোঁয়ালেন মেহেরপুর পৌরসভায় ২৪ বছরের মেয়র
মেহেরপুর নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে প্রকাশিত নির্বাচনী ফলাফল থেকে এসকল তথ্য জানা গেছে।
সদ্য সমাপ্ত মেহেরপুর পৌরসভার সাধারণ নির্বাচনে ৩০ হাজার ৯৬৫ ভোটের মধ্যে ভোট পোল হয়েছে ২৩ হাজার ৪৪৯ ভোট। এর মধ্যে বিদায়ী মেয়র মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতু পেয়েছেন ২ হাজার ৬৫৩ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী নিশান সাবের পেয়েছেন মাত্র ৬০ ভোট।
নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী কোন প্রাথী পোল হওয়া ভোটের এক অষ্টমাংসের কম ভোট পেলে তার জামানত বাতিল হয়। সেই হিসেবে বিদায়ী মেয়র মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নিশান সাবেনসহ ২৬ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী এবং ৯ জন সংরক্ষিত কাউন্সিল প্রার্থীর জামানত বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
প্রসঙ্গত. ১৯৯৩ সালে মেহেরপুর পৌরসভার সাধারণ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে জয়লাভ করেন সদস্য বিদায়ী মেয়র মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতু। এর পর থেকে তিনি একাধারে ২৪ বছর ধরে মেহেরপুর পৌরসভার প্রথমে চেয়ারম্যান এবং মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালের পৌর নির্বাচনে তিনি ২৬৫৩ ভোট পেয়ে পরাজিত হন।
মেহেরপুর পৌর নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো: রোকনুজ্জমান জানান, যে পরিমান ভোট পোল হয়েছে। তার মধ্যে যেসকল প্রার্থী পোল হওয়া ভোটের এক অষ্টমাংসের কম পেয়েছেন তারা জামানত ফেরত পাবেন না। এ তালিকায় বিদায়ী মেয়র সহ অনেকই রয়েছেন।
২৬ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী জামানত হারালেন :
১ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার ৫৬৫ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ৩ হাজার ৩২০। কাউন্সিলর প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন ১৫৩ ভোট জামানত হারিয়েছেন। ২ নম্বরওয়ার্ডে ৩ হাজার ১৮৯ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ২ হাজার ৩৪৭ ভোট। কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুস সালাম ২০৯ এবং ইমন বিশ্বাস ৬৭ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ৬৮৪ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ২ হাজার ২৩৮। কাউন্সিলর প্রার্থী সেলিম রেজা কল্লোল ১৩৪ ভোট এবং ফিরোজ বাবু পেয়েছেন মাত্র ১৮ ভোট। ৪নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার ৫৮৯ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ৩ হাজার ৮৬৫। কাউন্সিলর প্রার্থী রিয়াজ উদ্দিন ৫৩ ভোট, মহিবুল ইসলাম ২৪৮, জিয়ারুল ইসলাম ৩৫৬, আব্দুস সালাম ২৫১, আব্দুল হাদী ৮৮ এবং মাসুদ রানা ১০৬ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ৯৮৭ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ২ হাজার ২৭৪। কাউন্সিলর প্রার্থী মনিরুল ইসলাম ২১, মোস্তাক আহম্মেদ ২৬৮, রাজু আহাম্মেদ ১২০ এবং খায়রুল বাশার ২৮১ ভোট পেয়েছেন। ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ৬২০ ভোটের পোল হয়েছে ১হাজার ৯৪০ ভোট। কাউন্সিল প্রার্থী সাঈদ মাহাবুব জামান ২৮ ভোট পেয়েছেন। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার ৫৬৩ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ৩ হাজার ১৬০ ভোট। কাউন্সিলর প্রার্থী আরিফ খান ১৯৯, এসএম ফিরোজুর রহমান ১২৬, হাবিবর রহমান সোনা ৭২ এবং বর্তমান কাউন্সিলর মনিরুল ইসলাম ২৮৯ ভোট , দুখু মিয়া ৪২,নাহিদ হাসান খান রনি ৩০৮ ভোট পেয়েছেন। ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ৮০৯ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ২ হাজার ৮৩ ভোট। কাউন্সিলর প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু ১২২ এবং রিংকু মাহামুদ ১৫৮ ভোট পেয়েছেন। ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ৯৫৯ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ২ হাজার ২২৫। কাউন্সিলর প্রার্থী নাজমুল হক বাবু ৬৫, একমাত্র মহিলা সদস্য প্রার্থী রেহেনা মান্নান ১৪২ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
৯ জন সংরক্ষিত কাউন্সির প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন:
অপর দিকে ১ নম্বর সংরক্ষিত কাউন্সিলর (১,২,৩ নং ওয়ার্ড) ১০হাজার ৪৩৯ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ৭ হাজার ৯০৫ মহিলা সদস্য পদে ১,২,ও ৩ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর মনোয়ারা খাতুন ৯০৯, নার্গিস সুলতানা ৭২৭, নুরূর নাহার ৭১৫, আঞ্জুরা খাতুন ২৯৮, সফুরা খাতুন ২৭২ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। ২ নম্বর সংরক্ষিত কাউন্সিলর (৪,৫,৬ নং ওয়ার্ড) ১০ হাজার ১৯৬ ভোটারের মধ্যে ৮ হাজার ৭৯ ভোট পোল হয়েছে। সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী পলি খাতুন ৪৭০, কাঞ্চন মালা ৮৮৭, শাহানারা খাতুন ৫২১ এবং খাদিজা খাতুন ৪২২ ভোট পেয়ে জামনত হারিয়েছেন।
মেহেরপুর পৌরসভা নির্বাচন ২৫ এপ্রিল, ২০১৭
এবং মেহেরপুর পৌরসভার সাধারণ নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে বিজয় লাভ করেছেন যারা তারা হলেন। ১ নম্বর ওয়ােের্ড মীর জাহাঙ্গীর ১৫৮৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী পেয়েছেন জিএফমামুল লাকী পেয়েছেন ৯৯৯ ভোট। ২ নম্বর ওয়ার্ডে আল মামুন ৬৮৬ ভোট বিজয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ইয়াসিন আলী শামিম পেয়েছেন ৫১৮ ভোট। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে সৈয়দ আবু আবদুল্লাহ বাপ্পী ৭২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন,তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী নাসিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৪০৮ ভোট। ৪ নম্বর ওয়ার্ডে শাকিল রাব্বি ইভান ৯৫৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্ধন্দী আব্দদুর রহিম পেয়েছেন ৯২৬ভোট। ৫ নম্বর ওয়ার্ডে জাফর ইকবাল ৯০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী আবু হাসনাত পেয়েছেন ৬২৪ ভোট, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে শাহীনুর রহমান রিটন ৮২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী সৈয়দ মঞ্জরুলুল হাসান টুটুল পেয়েছেন ৭৬৪, ৮ নম্বর সৈয়দ মঞ্জুরুল কবীর রিপন ৬৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী আব্দুস সাত্তার মুক্তা পেয়েছেন ৪০৭ ভোট ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সোহেল রানা ডলার ৯১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী হামিদুল ইসলাম পেয়েছেন ৮১৬ ভোট।
এদিকে সংরক্ষিত মহিলা (১,২,৩) আলপনা খাতুন ২৬৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী দিল আফরোজ পেয়েছেন ১৮৪৪ ভোট। (৪,৫,৬) ওয়ার্ডে শিউলি আক্তার ২৫২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী রিনা খাতুন পেয়েছেন ২৪৮৯ ভোট।



































