Friday, July 11, 2014
২০০০ সালের ১২ জুলাই
২০০০ সালের ১২ জুলাই সকালের ঘটনা। শেরশাহ পলিটেকনিক এলাকা থেকে মাইক্রোবাসে চেপে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বাকলিয়াস্থ সরকারি কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউটে যাচ্ছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল দলীয় কর্মসূচিতে যোগদান করা। গাড়িটি বহদ্দারহাট পুকুরপাড় এলাকায় আসলে আরেকটি মাইক্রোবাস তাদের সামনে এসে গতিরোধ করে। গতিরোধ করার মুহূর্তের মধ্যেই ব্রাশফায়ার শুরু করে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রধারী ক্যাডাররা। পুলিশি তদন্তে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী হামলাকারীরা ছিল শিবিরের ক্যাডার। এ সময় একেএকে গাড়ির ভেতরেই লুটিয়ে পড়ে ৮ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী। তারা হচ্ছেন, সরকারি কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট (পলিটেকনিক এলাকাস্থ) ছাত্র সংসদের ভিপি হাসিবুর রহমান হেলাল, সোহাগ, বাবু, কাশেম, জাহাঙ্গীর আলম, জাহাঙ্গীর হোসেন, মনু মিয়া ও জাহেদুল ইসলাম। ঝাঁঝরা হয়ে যায় ৮ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর শরীর। রক্তগঙ্গায় পরিণত হয় ওই এলাকা। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা আসীন থাকা অবস্থায়ই নিজ দলের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর এ ধরনের নির্মমতায় তোলপাড় হয় পুরোদেশ।
কী কারণে হত্যাকাণ্ড: ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ ও শিবিরের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল তখন। এটাকে কেন্দ্র করে একেবারে ফিল্মি কায়দায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল।
লাশের স্তূপের নীচে পড়ে বেঁচে যাওয়া সেই সাইদুল ,রায়ের ব্যাপারে কিছু না বললেও সেদিনের ঘটনার কথা মনে হলে এখনও আঁতকে উঠেন সাইদুল। সেদিন পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েও শুধু বাঁচার জন্য হাতে মুখে রক্ত মেখে মৃত্যুর ভান করে শুয়ে ছিলেন তিনি। লাশের নীচে। খুনিরা লাশ উল্টে দেখেছিল। কিন্তু সাইদুল মরে গেছে ভেবে তাকে ফেলে যায় খুনিরা।
ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান তারেক: কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও এমইএস কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান তারেক রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, উচ্চতর আদালতের রায়ের বিষয়ে কিছু বলা সমীচীন হবে না এ মুহূর্তে। তবে এইট মার্ডারের মতো ঘটনায় জড়িতদের বিচার হলে আইনের শাসনের জয় হবে।
তিনি বলেন, সরকার চাইলে এ ধরনের জঘন্য ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নিতে পারে। যাতে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর না হয়।
কোথায় শিবির ক্যাডার সাজ্জাদ : শহরের বায়েজীদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী এলাকার আবদুল গনি কন্ট্রাক্টরের ছেলে দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার সাজ্জাদের বিরুদ্ধে শুধু বায়েজীদ থানাতেই হত্যাসহ ১০টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া ২০০০ সালে এইট মার্ডারসহ বিভিন্ন অপরাধে তার বিরুদ্ধে মোট মামলা সংখ্যা ১৩টি। এইট মার্ডার মামলার রায়ের আগে ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পায় সাজ্জাদ। ২০০৫ সালে সে ভারতে পালিয়ে যায়। পরে তার গন্তব্য হয় দুবাই শহর। সেখানে তিনি বিয়ে করেন এক পাঞ্জাবি মেয়েকে। সর্বশেষ ২০১২ সালের নভেম্বরে সাজ্জাদ ভারতে গ্রেফতার হন। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
কী কারণে হত্যাকাণ্ড: ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ ও শিবিরের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল তখন। এটাকে কেন্দ্র করে একেবারে ফিল্মি কায়দায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল।
লাশের স্তূপের নীচে পড়ে বেঁচে যাওয়া সেই সাইদুল ,রায়ের ব্যাপারে কিছু না বললেও সেদিনের ঘটনার কথা মনে হলে এখনও আঁতকে উঠেন সাইদুল। সেদিন পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েও শুধু বাঁচার জন্য হাতে মুখে রক্ত মেখে মৃত্যুর ভান করে শুয়ে ছিলেন তিনি। লাশের নীচে। খুনিরা লাশ উল্টে দেখেছিল। কিন্তু সাইদুল মরে গেছে ভেবে তাকে ফেলে যায় খুনিরা।
ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান তারেক: কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও এমইএস কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান তারেক রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, উচ্চতর আদালতের রায়ের বিষয়ে কিছু বলা সমীচীন হবে না এ মুহূর্তে। তবে এইট মার্ডারের মতো ঘটনায় জড়িতদের বিচার হলে আইনের শাসনের জয় হবে।
তিনি বলেন, সরকার চাইলে এ ধরনের জঘন্য ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নিতে পারে। যাতে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর না হয়।
কোথায় শিবির ক্যাডার সাজ্জাদ : শহরের বায়েজীদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী এলাকার আবদুল গনি কন্ট্রাক্টরের ছেলে দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার সাজ্জাদের বিরুদ্ধে শুধু বায়েজীদ থানাতেই হত্যাসহ ১০টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া ২০০০ সালে এইট মার্ডারসহ বিভিন্ন অপরাধে তার বিরুদ্ধে মোট মামলা সংখ্যা ১৩টি। এইট মার্ডার মামলার রায়ের আগে ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পায় সাজ্জাদ। ২০০৫ সালে সে ভারতে পালিয়ে যায়। পরে তার গন্তব্য হয় দুবাই শহর। সেখানে তিনি বিয়ে করেন এক পাঞ্জাবি মেয়েকে। সর্বশেষ ২০১২ সালের নভেম্বরে সাজ্জাদ ভারতে গ্রেফতার হন। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।


