.

Thursday, June 16, 2022

টানা দ্বিতীয় মেয়াদে নগরপিতা হলেন মাহফুজুর রহমান রিটন

 

জুন ১৫, ২০২২

মেহেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৮০১৫ ভোটের ব্যাবধানে মাহফুজুর হমান রিটন পুন: নির্বাচিত হয়েছেন। মাহফুজুর রহমান রিটন নৌকা প্রতিক নিয়ে ১৫৪৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রতিদ্বন্ধী একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী মোতাছিম বিল্লাহ মতু (নারকেল গাছ) ৭৪৪৬  ভোট পেয়েছেন।

মেহেরপুর পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৪ হাজার ৭৮৪ জন। এদের মধ্যে নারী ভোটার সংখ্যা ১৮ হাজার ১৫ ও পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১৬ হাজার ৭৬৯ জন। পৌরসভায় ১ হাজার ২৪৬ জন নারী ভোটার বেশী পুরুষের তুলনায়।

মেহেরপুর জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ আবু আনছার জানান, এরই মধ্যে সার্বিক প্রস্ততি শেষ হয়েছে। আশা করছি একটি অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সব ঠিকঠাক থাকলে কাল সকাল থেকে ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে ভয়ভীতির উর্দ্ধে থেকে পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিবে।

পৌরসভায় সাধারণ সদস্য পদে ৪৩ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৫ জন প্রার্থী  প্রতিদ্বন্দিতা করবেন  

মেহেরপুর পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী মাহফুজুর রহমান রিটন (নৌকা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতু (নারিকেল গাছ) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।এছাড়া ১ নং ওয়ার্ডে মোয়াজ্জেম হোসেন (টেবিল ল্যাম্প) মীর জাহাঙ্গীর আলম (পানির বোতল) গোলাম ফারুক (পাঞ্জাবী), রাজীব আহম্মেদ (ডালিম), রাশেদুজ্জামান (উটপাখি) ২ নং ওয়ার্ডে সঞ্জয় কুমার শাহ (উটপাখি), আল মামুন (টেবিল ল্যাম্প), তপন কুমার (পাঞ্জাবী), ওয়াসিম খান (ব্লাকবোর্ড), শফিকুল ইসলাম (ডালিম), ইয়াসিন আলী শামীম হোসেন (পানির বোতল), তিন নং ওয়ার্ড ইনছান আলী (টেবিল ল্যাম্প), শাকিল রাব্বী ইভান (ডালিম), সৈয়দ আবু আব্দুল্লাহ (পানির বোতল), জাহাঙ্গীর আলম (উটপাখি), ৪ নং ওয়ার্ড আব্দুর রহিম (পানির বোতল), নুরুল ইসলাম (ডালিম), রিয়াজ উদ্দীন (উটপাখি) ৫ নং ওয়ার্ড হাসেম আলী (উটপাখি), এসএম আবুল হাসনাত (পানির বোতল), শরিফুল ইসলাম (টেবিল ল্যাম্প), আক্তারুল ইসলাম (পাঞ্জাবী), মোস্তাক আহম্মেদ (ব্রীজ), ৬ নং ওয়ার্ড সৈয়দ মুঞ্জুরুল হাসান (পানির বোতল), শামীম রেজা (টেবিল ল্যাম্প), বোরহানুল াাযীম (উটপাখি), শাহিনুর রহমান (পাঞ্জাবী), ৭ নং ওয়ার্ডে এসএম ফিরোজুর রহমান (পাঞ্জাবী), নুরুল আশরাফ রাজীব (উটপাখি),মনিরুল ইসলাম (পানির বোতল), ইলিয়াস হোসেন (গাজর), তারিকুল ইসলাম (টেবিল ল্যাম্প) ৮ নং ওয়ার্ড খন্দকার শফিউল কবীর (পাঞ্জাবী), সৈয়দ মুঞ্জুরুল কবীর (ডালিম), একে শাকিল আহম্মেদ (পানির বোতল), আব্দুস সাত্তার (ব্রীজ), সাখাওয়াত হোসেন (টেবিল ল্যাম্প), মতিয়ার রহমান (গাজর), নাজমুল হাসান (ব্লাকবোর্ড), রিন্টু রহমান (উটপাখি), ৯ নং ওয়ার্ড সোহেল রানা ডলার ( পানির বোতল),মোহাম্মদ বিন কাশেম (উটপাখি), আমিরুল ইসলাম (টেবিল ল্যাম্প)এছাড়া সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১ নং ওয়ার্ড ইতি বেগম (বলপেন), আল্পনা খাতুন (জবা ফুল), দিল আফরোজ (চশমা),মনোয়ারা খাতুন (আনারশ), ২ নং ওয়ার্ড শিউলী আক্তার (জবা ফুল), ফিরোজা খাতুন (চশমা), মোমেনা বেগম (আঙটি), বিলকিস খাতুন (আনারস) পলি খাতুন (অটোরিকসা), আফরোজা আক্তার (টেলিফোন), শারমীন আক্তার (বলপেন) খাদিজা বেগম (দ্বিতল বাস), ৩ নং ওয়ার্ড সীমা চৌধুরী (জবা ফুল), হামিদা খাতুন (চশমা), রোকসানা (আনারস)প্রতিকে ভোট করছেন।

মেহেরপুর পৌরসভায় মোট ২০ টি ভোট কেন্দ্রে ১২২ টি কক্ষে ভোট গ্রহণ চলবে।

১ নং ওয়ার্ডে ভোট কেন্দ্র মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভোটার সংখ্যা ১৩৩০ জন, গ্লোরিয়াস প্রি ক্যাডেট একাডেমী ভোট কেন্দ্র, ভোট সংখ্যা ২০১৮ জন ও নতুনপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৬৮১ জন।, ২ নং ওয়ার্ডে সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় দক্ষিণ ভবন ভোট কেন্দ্রে ভোট সংখ্যা ১৮৮৯ জন, সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় উত্তর পশ্চিম ভবন ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১৮৪৪ জন।, ৩ নং ওয়ার্ডে তাঁতীপাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা দক্ষিণ ভবন ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১৪৩৮ জন, তাঁতীপাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা উত্তর ভবন ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১৫২৮ জন, ৪ নং ওয়ার্ড শেখপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১৫৮৪ জন, সহি উদ্দীন ডিগ্রী কলেজ ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ২১১১ জন, কালাচাঁদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১৪৩০ জন। ৫ নং ওয়ার্ডে হোলি পাবলিক প্রি ক্যাডেট এন্ড জুনিয়র হাইস্কুল ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১১৮২ জন, দীঘিরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ২২১৯ জন, ৬ নং ওয়ার্ড বড়বাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬৪২ জন, পৌর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংথ্যা ১২২২ জন। ৭ নং ওয়ার্ড, সরকারী উচ্চ বালক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে (পশ্চিম ভবন) মোট ভোটার ২৪৬৭ জন, সরকারী উচ্চ বালক বিদ্যালয় পূর্ব ভবন ভোট কেন্দ্রে ভোট সংখ্যা ২৬৪৫ জন, ৮ নং ওয়ার্ড মেহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র নতুন ভবন, ভোটার সংখ্যা ১৪৫৯ জন, একই কেন্দ্রের পুরাতন ভবন ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৫৯৩ জন, ৯ নং ওয়ার্ড মেহেরপুর দারুল উলুম আহমাদীয় ফাজিল মাদ্রাসা এক নং ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৭৭৬ জন ও একই কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ১৯২৬ জন।

তিনটি ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ভোট ১ নং ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ১১৫২৮ জন, ২ নং ওয়ার্ডে ১১৩৯০ জন ও ৩ নং ওয়ার্ডে ১১৮৬৬ জন।

Thursday, March 10, 2022

মেহেরপুরে যুবলীগ নেতা বিপুল হত্যা মামলার সব আসামি খালাস

 


১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, 

মেহেরপুর পৌরসভার কাউন্সিলর ও জেলা যুবলীগ নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন বিপুল হত্যা মামলার সব আসামিকেই বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ মো. ওয়ালিউল ইসলাম এ আদেশ দেন।

খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি সাজ্জাদুল আনাম, যুবলীগ নেতা ইয়ানুস শেখ, মাহফুজ আলী, আফজাল হোসেন ও বাদশা মিয়া।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৮ জানুয়ারি সোমবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে মেহেরপুর শহরের কাসারি পাড়ায় জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক (সাবেক সহপ্রচার সম্পাদক) শহিদুল ইসলামের বাড়িতে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে জেলা যুবলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলর আবদুল্লাহ আল মামুন বিপুল যোগ দেন। অনুষ্ঠান চলাকালে অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজন অস্ত্রধারী ব্যক্তি সেখানে প্রবেশ করে তাঁকে লক্ষ্য করে পরপর তিনটি গুলি করেন। এতে তাঁর মাথা ও বুকে গুলি লাগে। তাঁকে উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠান চলাকালে অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজন অস্ত্রধারী ব্যক্তি এসে কাউন্সিলর আবদুল্লাহ আল মামুনকে লক্ষ্য করে পরপর তিনটি গুলি করেন। এতে তাঁর মাথা ও বুকে গুলি লাগে।


এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিপুলের স্ত্রী বিলকিস আরা বেলী বাদী হয়ে দুদিন পর জেলা মেহেরপুর যুবলীগের তৎকালীন সভাপতি সাজ্জাদুল অনাম, অর্থ সম্পাদক ও বর্তমান পৌর মেয়র মাহাফুজুর রহমান, শহিদুল ইসলামসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পৌর মেয়র মাহফুজুর রহমান ও তাঁর শ্যালক আরিফুর রহমান, জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি সাজ্জাদুল আনামকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়। পরে মামলা সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হলে শহিদুল ইসলাম, তাঁর ভাই বাদশা, ইয়ানুস, আফজাল, মাহফুজ ও জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি সাজ্জাদুল আনামকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পল্লব ভট্টাচার্য। আসামিপক্ষে ইয়ারুল ইসলাম, কামরুল ইসলামসহ একাধিক আইনজীবী মামলা পরিচালনা করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী ইয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা রায়ে সন্তুষ্ট।’ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পল্লব ভট্টাচার্য বলেন, ‘বিচারক অভিযোগপত্রভুক্ত ছয় আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। আমরা রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পেলে পরবর্তীকালে আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’ 

Wednesday, May 19, 2021

ইউপি সোহেল রানা গাজাসহ হাতে নাতে ধরা ও গণধোলাই (ভিডিও)



 ০১ নং কুতুবপুর ইউনিয়নের ০৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সোহেল রানা মেম্বার পিতা মোঃ সাখাওয়াত বিশ^াস গাজাসহ হাত নাতে ধরা।
বিগত দুই দিন আগে কুতুবপুর ইউনিয়নের ০৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সোহেল রানা গাজাসহ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা ০১ (এক) কেজি পরিমান গাজাসহ গ্রামবাসীর নিকট হাতে নাতে ধরা ও গণধোলাই এর স্বীকার হয়। সরজমিনে তার গ্রাম পরিদর্শন করে জানা যায় যে তিনি এই ব্যবসা অনেক দিন ধরে চলিয়ে আসছিলেন। এবং ইতিপূর্বে তার নামে মানব পাচার ও আদম ব্যবসার জন্য মেহেরপুর সদর থানায় কয় একটা মামলার আসামী। ইউপি সোহেল রানা জেলা সৈনিক লীগের সভাপতির দায়িত্বে আছেন।

Saturday, November 11, 2017

শহীদ নূর হোসেন দিবস

 ১০ নভেম্বর বা বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দিবস।
বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন-সংগ্রামে এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৮৭ সালের এই দিনে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহীদ হন নূর হোসেন। নূর হোসেনের এই আত্মত্যাগ তত্কালীন স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনকে বেগবান করে। এ দিনে হাজারো প্রতিবাদী যুবকের সঙ্গে জীবন্ত পোস্টার হয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল যুবলীগ কর্মী নূর হোসেন। তাঁর বুকে-পিঠে উত্কীর্ণ ছিল ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’ এই জ্বলন্ত স্লোগান। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অকুতোভয় সেই যুবকের অগ্নিঝরা স্লোগান সহ্য হয়নি তত্কালীন স্বৈরশাসকের। স্বৈরাচারের লেলিয়ে দেয়া বাহিনী নির্বিচারে গুলি চালিয়ে তাঁর বুক ঝাঁঝরা করে দেয়। গুলিতে আরো শহীদ হন যুবলীগ নেতা নুরুল হুদা বাবুল ও কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটোও। নূর হোসেনের আত্মত্যাগে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন আরো বেগবান ও তিন জোটের সংগ্রাম অপ্রতিরোধ্য রূপ লাভ করে।
এই আন্দোলনের জোয়ারে নব্বইয়ের শেষ দিকে ভেসে যায় স্বৈরাচারের তক্তপোশ। শহীদ নূর হোসেনের রক্তদানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন তীব্রতর হয় এবং অব্যাহত লড়াই-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটে। দেশে কায়েম হয় দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন গণতন্ত্র। শহীদ নূর হোসেন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠেন। এরপর থেকে প্রতিবছর যথাযোগ্য মর্যাদায় ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।



Tuesday, January 27, 2015

আমাকে রাজনীতি থেকে সরানোর হীন ষড়যন্ত্র চলছে

মেহেরপুর জেলা যুবলীগ সভাপতি সাজ্জাদুল আনাম বলেন, আমাকে রাজনীতি থেকে সরানোর হীন ষড়যন্ত্র চলছে। একটি রাজনৈতিক মহলের গভীর যড়যন্ত্রে নতুন করে পৌর কাউন্সিলর বিপুল হত্যা মামলায় চার্জশিটে আসামী করার প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে।
তিনি আরো বলেন, আগামী পৌর নির্বাচনে তিনি তার দলের সমর্থন নিয়ে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ভোট করার সিদ্ধান্ত নেয়ায় একটি পক্ষ তাকে নিয়ে এধরনের হীন ষড়যন্ত্রে নেমেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে মেহেরপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সাজ্জাদুল আনাম এ কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে  জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সাজ্জাদুল আলম,যুগ্ম সম্পাদক নিশান সাবের, মিজানুর রহমান হিরন, মাহফিজুর রহমান মাহবুব, গাংনী উপজেলা সভাপতি মোশররফ হোসেন,সদর উপজেলা সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু,সম্পাদক আল মামুন,শহর যুবলীগ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম,গাংনী পৌর যুবলীগ সভাপতি রাহিবুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সাজ্জাদুল আনাম এর উপস্থিতিতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন

Thursday, December 25, 2014

মাসুদ খান লিঙ্কন , মেহেরপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক

মাসুদ খান লিঙ্কন
মাসুদ খান লিঙ্কন।  ১৯ ডিসেম্বর রোজ শুক্রবার ভোর পাঁচ টার দিকে  হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান । এর আগে তিনি সফলতার সাথে মেহেরপুর জেলা ছাত্রলীগ এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং  মেহেরপুর জেলা আওয়ামীলীগ যুব লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক পদে বহাল ছিলেন ।

খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ( বিপুল )

খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ( বিপুল )
খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বিপুল, মেহেরপুর জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং মেহেরপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর । ২৮ জানুয়ারী ২০১৩ মেহেরপুর কাঁসারী পাড়ায় রাত ১০টার দিকে বিপুল গুলিবিদ্ধ হন । মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Tuesday, November 4, 2014

মেহেরপুরে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

০৩ নভেম্বর
বাংলাদেশ আওয়ামী যুব লীগের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওমর ফারুকের বাসভবনে ককটেল হামলার প্রতিবাদে মেহেরপুর জেলা যুবলীগের উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
সোমবার বিকালে জেলা যুবলীগের সভাপতি সাজ্জাদুল আনামের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের শিল্পকলা মোড়ে থেকে শুরু করে প্রধান সড়ক হয়ে বড় বাজারে এসে শেষ হয়। মিছিলে অন্যান্যদের মধ্যে যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সাজ্জাদুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক নিশান সাবের, সাংগাঠিনকি সম্পাদক মাহফিুজর রহমান মাহবুব, মিজানুর রহমান হিরন, গাংনী উপজেলা সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সদর উপজেলা সম্পাদক আল মামুন, মাসুদ খান লিংকন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।