Tuesday, August 5, 2025
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদের আয় বেড়েছে, স্ত্রীর বেড়েছে সম্পদ
২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ফরহাদ হোসেন কলেজে শিক্ষকতা করে বছরে আয় করতেন ৬ লাখ ১২ হাজার ৩৪০ টাকা। ১০ বছর পর এখন তিনি কৃষি, ব্যবসা, শেয়ার ও প্রতিমন্ত্রীর পারিশ্রমিক মিলিয়ে বছরে আয় করেন ৭৭ লাখ ১ হাজার ৮৫০ টাকা। যা ২০১৪ সালের তুলনায় ১২ গুণ বেশি।
মেহেরপুর-১ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের তিনটি সংসদ নির্বাচনের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালে তাঁর স্ত্রী সৈয়দ মোনালিসা ইসলামের নগদ ৫ লাখ টাকা ও ৪০ ভরি সোনা থাকলেও এখন তাঁর অস্থাবর সম্পদের আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২০ লাখে। এর মধ্যে নগদ আছে ৪৭ লাখ ও ব্যবসায় বিনিয়োগ আছে ৪০ লাখ টাকা। যদিও কোনো হলফনামাতেই প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রীর আয়ের উৎসের কোনো তথ্য উল্লেখ নেই।
ফরহাদ হোসেন টানা তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর তিনি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০১৮ সালের নির্বাচনের হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় ফরহাদ হোসেন বছরে আয় করতেন ১০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। যার মধ্যে কৃষি খাতে ৪ লাখ, শেয়ার ও সঞ্চয়পত্র থেকে ১৫ হাজার ও অন্যান্য খাত থেকে ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
এবারের হলফনামায় উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী নগদ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, জিপ, স্বর্ণালংকার, আসবাব, ইলেকট্রনিক সামগ্রী মিলিয়ে প্রতিমন্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ২৭ লাখ ২ হাজার টাকা। ২০১৪ সালে যার পরিমাণ ছিল ২৬ লাখ ৬৬ হাজার ২৩৭ টাকা। ১০ বছরে অস্থাবর সম্পদ ১২ গুণ বেড়েছে। ১০ বছর আগে ফরহাদ হোসেনের হাতে নগদ টাকা ছিল ৯ লাখ। ২০১৮ সালে ছিল ৬ লাখ। এখন তাঁর হাতে নগদ টাকা আছে ১ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার। ওই সময় তাঁর স্ত্রীর হাতে নগদ ছিল ৫ লাখ টাকা। ১০ বছরের ব্যবধানে তা হয়েছে ৪৭ লাখ টাকা। আগে না থাকলেও এখন প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ঋণ হয়েছে ৫৬ লাখ টাকা।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম রসুল বলেন, ফরহাদ হোসেন সংসদ সদস্য হওয়ার পরই তাঁর ও তাঁর পরিবারের প্রত্যেকের অর্থনৈতিক করুণ পরিস্থিতি বদলেছে, যেন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছের মতো। এসব অর্থ তিনি কীভাবে আয় করেছেন তা সবার জানা।
সম্পদ বৃদ্ধির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা যখন যৌথ পরিবার ছিলেন তখন কৃষিজমি থেকে তাঁর নিজস্ব কোনো আয় ছিল না। পরিবারের সম্পত্তি বণ্টন হওয়ার পর কৃষিজমি হয়েছে। এই জমি থেকে আয় হতে শুরু করেছে। বেতন–ভাতা থেকে বছরে ৩০ লাখ টাকার সমপরিমাণ যোগ হচ্ছে। তিনি ঢাকায় কয়েকটি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সেখান থেকেও আয় হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীরা সব সময় আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার করে আসছে। আমার বিরুদ্ধে একটিও অবৈধ আয়ের উৎস খুঁজে বের করতে পারবে না তারা।’
প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রীর নামে ২০১৪ সালে কোনো জমি ছিল না। বর্তমানে তাঁর ২ বিঘা ৫ কাঠা কৃষিজমি রয়েছে, যার আর্থিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রতিমন্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা; ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ২৯ লাখ ১ হাজার টাকা; বন্ড, ঋণপত্র ও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ৬ লাখ ৩৩ হাজার টাকা; সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ৪০ লাখ টাকা; ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের জিপ গাড়ি, ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ২৫ ভরি সোনা (বিয়েতে উপহার ও উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া); ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের গৃহস্থালি সামগ্রী; ব্যবসায় বিনিয়োগ ৩১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা; ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যের শর্টগান ও পিস্তল এবং শেয়ার ব্যালেন্স ১২ হাজার ৭৫৩ টাকা। ২০১৮ সালে তিনি ৭৩ লাখ টাকার একটি জিপ ও ৭ লাখ টাকার একটি মাইক্রোবাস থাকার কথা উল্লেখ করেছিলেন।
স্থাবর সম্পদ হিসেবে প্রতিমন্ত্রীর ২৭৪ দশমিক ৪৫ শতক কৃষিজমি, ৩১ দশমিক ৪৩ শতক অকৃষিজমি ও উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পে ১ হাজার ৬৫৪ বর্গফুটের ফ্ল্যাট হয়েছে; যা ২০১৪ সালের হলফনামায় ছিল না। এগুলো উত্তরাধিকার ও ক্রয়সূত্রে পাওয়া বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ৫১ শতক অকৃষিজমি থাকার কথা উল্লেখ করেছিলেন। তাঁর স্ত্রীর নামে ২০১৪ সালে কোনো জমি ছিল না। বর্তমানে তাঁর ২ বিঘা ৫ কাঠা কৃষিজমি রয়েছে, যার আর্থিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রীর ২০১৪ সালে অস্থাবর সম্পদ হিসেবে ছিল নগদ ৫ লাখ টাকা, বিয়েতে উপহার হিসেবে পাওয়া ৪০ ভরি সোনা, ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার গৃহস্থালি সামগ্রী। বর্তমানে তাঁর হাতে নগদ ৪৭ লাখ টাকা রয়েছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সঞ্চয়পত্র বা স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ২০ লাখ টাকা, সাড়ে ৭ লাখ টাকার একটি মাইক্রোবাস, ১৩০ ভরি সোনা (বিয়েতে উপহার ও উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া), ৪ লাখ টাকার গৃহস্থালি সামগ্রী ও ব্যবসায় ৪০ লাখ টাকার বিনিয়োগ।
এবারের হলফনামায় ফরহাদ হোসেন আয়ের বিভিন্ন খাত উল্লেখ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, কৃষি থেকে তাঁর বছরে আয় ২৫ লাখ ১৮ হাজার টাকা; ব্যবসা থেকে ১৭ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৪ টাকা; শেয়ারবাজার ও ব্যাংক আমানত থেকে ৪ লাখ ২৮ হাজার ২০১ টাকা এবং পারিশ্রমিক, ভাতা, সম্মানি হিসেবে ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ২৭৫ টাকা আয় করেন।
https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/acuem30m12
Thursday, April 18, 2024
ফরহাদ হোসেন মন্ত্রী হওয়ায় মেহেরপুরে আনন্দের বন্যা
১১ জানুয়ারি ২০২৪, ২০:৪১
ফরহাদ হোসেন মেহেরপুর-১ আসন থেকে টানা তিন বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর পূর্ণ মন্ত্রী হয়ে পুনরায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন
২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান এ রাজনীতিবিদ।
বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী মুজিবনগরের মেহেরপুরে এই প্রথম মন্ত্রী হলেন। এই খবরে তার বাড়ির সামনে হাজারো মানুষ ভিড় করে। শুরু হয় মিষ্টি বিতরণ।
ফরহাদ হোসেন এমপি থাকাকালে ব্যাপক উন্নয়ন ছাড়াও মেহেরপুরকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত জেলা গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
এমপি ফরহাদ হোসেন দোদুলের পিতা প্রয়াত মোহাম্মদ সহিউদ্দিন মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে মেহেরপুর থেকে তৎকালীন পাকিস্থান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম সংগঠক প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
১৯৭৩ সালে মোহাম্মদ সহিউদ্দিন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে মেহেরপুর আসন থেকে নির্বাচিত হন এবং ৭৫ সালে মেহেরপুর জেলার গর্ভনর নিযুক্ত হন। তিনি ৮৬ সালেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
এই অঞ্চলের অবিসংবাদিত নেতা ৬৭ বছর বয়সে ১৯৯০ সালে মৃত্যু বরণ করেন। তিনি ছিলেন মেহেরপুরর অজাতশত্রু।
প্রয়াত সহিউদ্দীনের তৃতীয় পুত্র ফরহাদ হোসেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২য় বারের মতো এমপি নির্বাচিত হন। তিনি ঢাকা সিটি কলেজের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।
Thursday, June 16, 2022
মেহেরপুর পৌরসভাসহ ইউপিতে নৌকা ৩ একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী
মেহেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে মাহফুজুর রহমান রিটন বিপুল ভোটে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও ৪ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনটিতে নৌকা এবং একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয় লাভ করেছেন।
মেহেরপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনিত নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মাহফুজুর রহমান রিটন পেয়েছেন ১৫ হাজার ৪৬১ ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক মেয়র মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতু নারকেল গাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৪৪৬ ভোট।
এদিকে, আমঝুপি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনিত ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বোরহান উদ্দীন চুন্নু দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীকে নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ৫২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শফিকুল ইসলাম ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৪৬৫ ভোট।
পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে আব্দুস সামাদ বাবলু বিশ্বাস।
তিনি নৌকা প্রতীকে তিনি ৮ হাজার ৫৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুস সালাম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ২১০ ভোট।
নবগঠিত বারাদী ইউনিয়নে প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম। নৌকা প্রতীকে তিনি ৫ হাজার ৩২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরমান আলী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৫৪ ভোট।
এছাড়া শ্যামপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মতিয়ার রহমান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। চশমা প্রতীকে তিনি ৬ হাজার চার ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাসেম আলী ঘোড়া প্রতীকে ৩ হাজার ২৩১ ভোট পেয়েছেন।
টানা দ্বিতীয় মেয়াদে নগরপিতা হলেন মাহফুজুর রহমান রিটন
জুন ১৫, ২০২২
মেহেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৮০১৫ ভোটের ব্যাবধানে মাহফুজুর হমান রিটন পুন: নির্বাচিত হয়েছেন। মাহফুজুর রহমান রিটন নৌকা প্রতিক নিয়ে ১৫৪৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রতিদ্বন্ধী একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী মোতাছিম বিল্লাহ মতু (নারকেল গাছ) ৭৪৪৬ ভোট পেয়েছেন।
মেহেরপুর পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৪ হাজার ৭৮৪ জন। এদের মধ্যে নারী ভোটার সংখ্যা ১৮ হাজার ১৫ ও পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১৬ হাজার ৭৬৯ জন। পৌরসভায় ১ হাজার ২৪৬ জন নারী ভোটার বেশী পুরুষের তুলনায়।
মেহেরপুর জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ আবু আনছার জানান, এরই মধ্যে সার্বিক প্রস্ততি শেষ হয়েছে। আশা করছি একটি অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সব ঠিকঠাক থাকলে কাল সকাল থেকে ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে ভয়ভীতির উর্দ্ধে থেকে পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিবে।
পৌরসভায় সাধারণ সদস্য পদে ৪৩ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করবেন
মেহেরপুর পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী মাহফুজুর রহমান রিটন (নৌকা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতু (নারিকেল গাছ) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।এছাড়া ১ নং ওয়ার্ডে মোয়াজ্জেম হোসেন (টেবিল ল্যাম্প) মীর জাহাঙ্গীর আলম (পানির বোতল) গোলাম ফারুক (পাঞ্জাবী), রাজীব আহম্মেদ (ডালিম), রাশেদুজ্জামান (উটপাখি) ২ নং ওয়ার্ডে সঞ্জয় কুমার শাহ (উটপাখি), আল মামুন (টেবিল ল্যাম্প), তপন কুমার (পাঞ্জাবী), ওয়াসিম খান (ব্লাকবোর্ড), শফিকুল ইসলাম (ডালিম), ইয়াসিন আলী শামীম হোসেন (পানির বোতল), তিন নং ওয়ার্ড ইনছান আলী (টেবিল ল্যাম্প), শাকিল রাব্বী ইভান (ডালিম), সৈয়দ আবু আব্দুল্লাহ (পানির বোতল), জাহাঙ্গীর আলম (উটপাখি), ৪ নং ওয়ার্ড আব্দুর রহিম (পানির বোতল), নুরুল ইসলাম (ডালিম), রিয়াজ উদ্দীন (উটপাখি) ৫ নং ওয়ার্ড হাসেম আলী (উটপাখি), এসএম আবুল হাসনাত (পানির বোতল), শরিফুল ইসলাম (টেবিল ল্যাম্প), আক্তারুল ইসলাম (পাঞ্জাবী), মোস্তাক আহম্মেদ (ব্রীজ), ৬ নং ওয়ার্ড সৈয়দ মুঞ্জুরুল হাসান (পানির বোতল), শামীম রেজা (টেবিল ল্যাম্প), বোরহানুল াাযীম (উটপাখি), শাহিনুর রহমান (পাঞ্জাবী), ৭ নং ওয়ার্ডে এসএম ফিরোজুর রহমান (পাঞ্জাবী), নুরুল আশরাফ রাজীব (উটপাখি),মনিরুল ইসলাম (পানির বোতল), ইলিয়াস হোসেন (গাজর), তারিকুল ইসলাম (টেবিল ল্যাম্প) ৮ নং ওয়ার্ড খন্দকার শফিউল কবীর (পাঞ্জাবী), সৈয়দ মুঞ্জুরুল কবীর (ডালিম), একে শাকিল আহম্মেদ (পানির বোতল), আব্দুস সাত্তার (ব্রীজ), সাখাওয়াত হোসেন (টেবিল ল্যাম্প), মতিয়ার রহমান (গাজর), নাজমুল হাসান (ব্লাকবোর্ড), রিন্টু রহমান (উটপাখি), ৯ নং ওয়ার্ড সোহেল রানা ডলার ( পানির বোতল),মোহাম্মদ বিন কাশেম (উটপাখি), আমিরুল ইসলাম (টেবিল ল্যাম্প)এছাড়া সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১ নং ওয়ার্ড ইতি বেগম (বলপেন), আল্পনা খাতুন (জবা ফুল), দিল আফরোজ (চশমা),মনোয়ারা খাতুন (আনারশ), ২ নং ওয়ার্ড শিউলী আক্তার (জবা ফুল), ফিরোজা খাতুন (চশমা), মোমেনা বেগম (আঙটি), বিলকিস খাতুন (আনারস) পলি খাতুন (অটোরিকসা), আফরোজা আক্তার (টেলিফোন), শারমীন আক্তার (বলপেন) খাদিজা বেগম (দ্বিতল বাস), ৩ নং ওয়ার্ড সীমা চৌধুরী (জবা ফুল), হামিদা খাতুন (চশমা), রোকসানা (আনারস)প্রতিকে ভোট করছেন।
মেহেরপুর পৌরসভায় মোট ২০ টি ভোট কেন্দ্রে ১২২ টি কক্ষে ভোট গ্রহণ চলবে।
১ নং ওয়ার্ডে ভোট কেন্দ্র মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভোটার সংখ্যা ১৩৩০ জন, গ্লোরিয়াস প্রি ক্যাডেট একাডেমী ভোট কেন্দ্র, ভোট সংখ্যা ২০১৮ জন ও নতুনপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৬৮১ জন।, ২ নং ওয়ার্ডে সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় দক্ষিণ ভবন ভোট কেন্দ্রে ভোট সংখ্যা ১৮৮৯ জন, সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় উত্তর পশ্চিম ভবন ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১৮৪৪ জন।, ৩ নং ওয়ার্ডে তাঁতীপাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা দক্ষিণ ভবন ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১৪৩৮ জন, তাঁতীপাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা উত্তর ভবন ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১৫২৮ জন, ৪ নং ওয়ার্ড শেখপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১৫৮৪ জন, সহি উদ্দীন ডিগ্রী কলেজ ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ২১১১ জন, কালাচাঁদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১৪৩০ জন। ৫ নং ওয়ার্ডে হোলি পাবলিক প্রি ক্যাডেট এন্ড জুনিয়র হাইস্কুল ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১১৮২ জন, দীঘিরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ২২১৯ জন, ৬ নং ওয়ার্ড বড়বাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬৪২ জন, পৌর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংথ্যা ১২২২ জন। ৭ নং ওয়ার্ড, সরকারী উচ্চ বালক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে (পশ্চিম ভবন) মোট ভোটার ২৪৬৭ জন, সরকারী উচ্চ বালক বিদ্যালয় পূর্ব ভবন ভোট কেন্দ্রে ভোট সংখ্যা ২৬৪৫ জন, ৮ নং ওয়ার্ড মেহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র নতুন ভবন, ভোটার সংখ্যা ১৪৫৯ জন, একই কেন্দ্রের পুরাতন ভবন ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৫৯৩ জন, ৯ নং ওয়ার্ড মেহেরপুর দারুল উলুম আহমাদীয় ফাজিল মাদ্রাসা এক নং ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৭৭৬ জন ও একই কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ১৯২৬ জন।
তিনটি ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ভোট ১ নং ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ১১৫২৮ জন, ২ নং ওয়ার্ডে ১১৩৯০ জন ও ৩ নং ওয়ার্ডে ১১৮৬৬ জন।
Saturday, January 16, 2021
গাংনী পৌরসভা নির্বাচন- ২০২১
পৌরসভার মোট ভোটার ২০ হাজার ৩৫৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ হাজার ৭৬০ ও নারী ভোটার রয়েছে ১০ হাজার ৫৯৭ জন। নির্বাচিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা হলেন,১ নং ওয়ার্ডে আলমগীর হোসেন,২ নং ওয়ার্ডে মিজানুর রহমান,৩ নং ওয়ার্ডে সামিউল ইসলাম,৪ নং ওয়ার্ডে আছেল উদ্দীন,৫ নং ওয়ার্ডে আতিয়ার রহমান,৬ নং ওয়ার্ডে নাসির উদ্দীন,৭ নং ওয়ার্ডে মকসেদ আলী,৮ নং ওয়ার্ডে হাফিজুল ইসলাম,৯ নং ওয়ার্ডে রাশিদুল ইসলাম। এবং সংরক্ষিত ১২৩ নং ফিরোজা খাতুন, ৪৫৬ নং ওয়ার্ডে ঝর্না খাতুন ও ৭৮৯ নং ওয়ার্ডে সাজেদা খাতুন নির্বাচিত হন। নির্বাচনে ৫জন মেয়র সহ ৫২জন প্রার্থী এ নির্বাচনে অংশ নেয়। শনিবার সন্ধ্যায় বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
Thursday, April 11, 2019
৩০ বছরের রাজনীতিতে প্রথম জয়
Wednesday, March 27, 2019
সদর এ অ্যাড. ইয়ারুল ইসলাম, মোমিনুল ইসলাম এবং আফরোজা খাতুন নির্বাচিত
মুজিবনগরে জিয়া উদ্দীন বিশ্বাস, রফিকুল ইসলাম, আফরোজা খাতুন নির্বাচিত
Tuesday, March 26, 2019
গাংনীতে এম এ খালেক, জুয়েল ও ফারহানা ইয়াসমিন বিজয়ী
Friday, March 1, 2019
বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হলেন অ্যাড. ইয়ারুল ইসলাম
Monday, December 3, 2018
১৯৫৪-২০১৮ জোট রাজনীতির যত সমীকরণ
পঁচাত্তর–পরবর্তী রাজনৈতিক জোট
![]() |
| এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রধান দুই নেত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া |
Monday, October 30, 2017
মেহেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচন, ২৮ ডিসেম্বর,২০১৬
মেহেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনের বেসরকারী ফলাফলে সাধারণ সদস্য পদে যারা নির্বাচিত হয়েছেন।ম প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক পেয়েছেন ৬ ভোট , ২ নম্বর ওয়ার্ডে (দারিয়াপুর ও মোনাখালী ইউনিয়ন) আজিমুল বারী মুকুল পেছেছেন ১৭ ভোট। তার নিকট তম প্রার্থী রফিকুল ইসলাম গাইন পেয়েছেন ৯ ভোট, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে (মেহেরপুর পৌরসভা) হাসানুল হক সবুজ পেয়েছেন ৮ ভোট। তার নিকট তম প্রার্থী মিজানুজ্জামান অপু ৭ ভোট, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে (কুতুবপুর ইউনিয়ন) মিরন আহমেদ ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী ইদ্রিস আলী মাষ্টার ৪ ভোট, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে (বুড়িপোতা ইউনিয়ন) আব্দুল কুদ্দুস ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আবুল হাসেম পেয়েছেন ৩ ভোট , ৭ নম্বর ওয়ার্ডে (পিরোজপুর ইউনিয়ন) রফিকুল ইসলাম ৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ৫ ভোট, ৮ নম্বর ওয়ার্ড (আমঝুপি ইউনিয়নে) খাজা মঈনুদ্দিন লিটন ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আব্দুস সামাদ ৩ ভোট, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে (ধানখোলা ইউনিয়ন) নির্বাচিত হয়েছেন শওকত আলী ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক পেয়েছেন ৬ ভোট, ১০ নম্বরওয়ার্ডে (গাংনী পৌরসভা ও রাইপুর ইউনিয়ন) মজিরুল ইসলাম ২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী আনারুল ইসলাম পেয়েছেন ২ ভোট , ১২ নম্বর ওয়ার্ডে (দারিয়াপুর ও মোনাখালী ইউনিয়নে ) মোহাম্মদ আলী ৯ ভোট পেযে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী নাজমুল হুদা বিশ্বাস পেয়েছেন ৫ ভোট । ১৩নম্বর ওয়ার্ডে (কাজীপুর ইউনিয়ন) মুনছুর আলী ৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী হাফিজুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ ভোট, ১৪নম্বর (ষোলটাকা ও বামন্দি ইউনিয়ন) আইয়ুব আলী ১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৮ভোট , ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে (মটমুড়া ইউনিয়ন) তোফাজ্জেল হোসেন ৭ পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রার্থী মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৫ ভোট
এছাড়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ( আমদহ ও মহাজনপুর ইউনিয়নে) আসলাম হোসেন শিলু এবং ১১ নম্বর ওয়ার্ডে ( কাথুলী ও সাহারবাটি ইউনিয়নে) তৌহিদ মুর্শেদ বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
জামানত খোঁয়ালেন মেহেরপুর পৌরসভায় ২৪ বছরের মেয়র
মেহেরপুর নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে প্রকাশিত নির্বাচনী ফলাফল থেকে এসকল তথ্য জানা গেছে।
সদ্য সমাপ্ত মেহেরপুর পৌরসভার সাধারণ নির্বাচনে ৩০ হাজার ৯৬৫ ভোটের মধ্যে ভোট পোল হয়েছে ২৩ হাজার ৪৪৯ ভোট। এর মধ্যে বিদায়ী মেয়র মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতু পেয়েছেন ২ হাজার ৬৫৩ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী নিশান সাবের পেয়েছেন মাত্র ৬০ ভোট।
নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী কোন প্রাথী পোল হওয়া ভোটের এক অষ্টমাংসের কম ভোট পেলে তার জামানত বাতিল হয়। সেই হিসেবে বিদায়ী মেয়র মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নিশান সাবেনসহ ২৬ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী এবং ৯ জন সংরক্ষিত কাউন্সিল প্রার্থীর জামানত বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
প্রসঙ্গত. ১৯৯৩ সালে মেহেরপুর পৌরসভার সাধারণ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে জয়লাভ করেন সদস্য বিদায়ী মেয়র মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতু। এর পর থেকে তিনি একাধারে ২৪ বছর ধরে মেহেরপুর পৌরসভার প্রথমে চেয়ারম্যান এবং মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালের পৌর নির্বাচনে তিনি ২৬৫৩ ভোট পেয়ে পরাজিত হন।
মেহেরপুর পৌর নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো: রোকনুজ্জমান জানান, যে পরিমান ভোট পোল হয়েছে। তার মধ্যে যেসকল প্রার্থী পোল হওয়া ভোটের এক অষ্টমাংসের কম পেয়েছেন তারা জামানত ফেরত পাবেন না। এ তালিকায় বিদায়ী মেয়র সহ অনেকই রয়েছেন।
২৬ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী জামানত হারালেন :
১ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার ৫৬৫ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ৩ হাজার ৩২০। কাউন্সিলর প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন ১৫৩ ভোট জামানত হারিয়েছেন। ২ নম্বরওয়ার্ডে ৩ হাজার ১৮৯ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ২ হাজার ৩৪৭ ভোট। কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুস সালাম ২০৯ এবং ইমন বিশ্বাস ৬৭ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ৬৮৪ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ২ হাজার ২৩৮। কাউন্সিলর প্রার্থী সেলিম রেজা কল্লোল ১৩৪ ভোট এবং ফিরোজ বাবু পেয়েছেন মাত্র ১৮ ভোট। ৪নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার ৫৮৯ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ৩ হাজার ৮৬৫। কাউন্সিলর প্রার্থী রিয়াজ উদ্দিন ৫৩ ভোট, মহিবুল ইসলাম ২৪৮, জিয়ারুল ইসলাম ৩৫৬, আব্দুস সালাম ২৫১, আব্দুল হাদী ৮৮ এবং মাসুদ রানা ১০৬ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ৯৮৭ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ২ হাজার ২৭৪। কাউন্সিলর প্রার্থী মনিরুল ইসলাম ২১, মোস্তাক আহম্মেদ ২৬৮, রাজু আহাম্মেদ ১২০ এবং খায়রুল বাশার ২৮১ ভোট পেয়েছেন। ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ৬২০ ভোটের পোল হয়েছে ১হাজার ৯৪০ ভোট। কাউন্সিল প্রার্থী সাঈদ মাহাবুব জামান ২৮ ভোট পেয়েছেন। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার ৫৬৩ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ৩ হাজার ১৬০ ভোট। কাউন্সিলর প্রার্থী আরিফ খান ১৯৯, এসএম ফিরোজুর রহমান ১২৬, হাবিবর রহমান সোনা ৭২ এবং বর্তমান কাউন্সিলর মনিরুল ইসলাম ২৮৯ ভোট , দুখু মিয়া ৪২,নাহিদ হাসান খান রনি ৩০৮ ভোট পেয়েছেন। ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ৮০৯ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ২ হাজার ৮৩ ভোট। কাউন্সিলর প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু ১২২ এবং রিংকু মাহামুদ ১৫৮ ভোট পেয়েছেন। ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ৯৫৯ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ২ হাজার ২২৫। কাউন্সিলর প্রার্থী নাজমুল হক বাবু ৬৫, একমাত্র মহিলা সদস্য প্রার্থী রেহেনা মান্নান ১৪২ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
৯ জন সংরক্ষিত কাউন্সির প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন:
অপর দিকে ১ নম্বর সংরক্ষিত কাউন্সিলর (১,২,৩ নং ওয়ার্ড) ১০হাজার ৪৩৯ ভোটের মধ্যে পোল হয়েছে ৭ হাজার ৯০৫ মহিলা সদস্য পদে ১,২,ও ৩ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর মনোয়ারা খাতুন ৯০৯, নার্গিস সুলতানা ৭২৭, নুরূর নাহার ৭১৫, আঞ্জুরা খাতুন ২৯৮, সফুরা খাতুন ২৭২ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। ২ নম্বর সংরক্ষিত কাউন্সিলর (৪,৫,৬ নং ওয়ার্ড) ১০ হাজার ১৯৬ ভোটারের মধ্যে ৮ হাজার ৭৯ ভোট পোল হয়েছে। সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী পলি খাতুন ৪৭০, কাঞ্চন মালা ৮৮৭, শাহানারা খাতুন ৫২১ এবং খাদিজা খাতুন ৪২২ ভোট পেয়ে জামনত হারিয়েছেন।
মেহেরপুর পৌরসভা নির্বাচন ২৫ এপ্রিল, ২০১৭
এবং মেহেরপুর পৌরসভার সাধারণ নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে বিজয় লাভ করেছেন যারা তারা হলেন। ১ নম্বর ওয়ােের্ড মীর জাহাঙ্গীর ১৫৮৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী পেয়েছেন জিএফমামুল লাকী পেয়েছেন ৯৯৯ ভোট। ২ নম্বর ওয়ার্ডে আল মামুন ৬৮৬ ভোট বিজয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ইয়াসিন আলী শামিম পেয়েছেন ৫১৮ ভোট। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে সৈয়দ আবু আবদুল্লাহ বাপ্পী ৭২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন,তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী নাসিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৪০৮ ভোট। ৪ নম্বর ওয়ার্ডে শাকিল রাব্বি ইভান ৯৫৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্ধন্দী আব্দদুর রহিম পেয়েছেন ৯২৬ভোট। ৫ নম্বর ওয়ার্ডে জাফর ইকবাল ৯০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী আবু হাসনাত পেয়েছেন ৬২৪ ভোট, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে শাহীনুর রহমান রিটন ৮২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী সৈয়দ মঞ্জরুলুল হাসান টুটুল পেয়েছেন ৭৬৪, ৮ নম্বর সৈয়দ মঞ্জুরুল কবীর রিপন ৬৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী আব্দুস সাত্তার মুক্তা পেয়েছেন ৪০৭ ভোট ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সোহেল রানা ডলার ৯১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী হামিদুল ইসলাম পেয়েছেন ৮১৬ ভোট।
এদিকে সংরক্ষিত মহিলা (১,২,৩) আলপনা খাতুন ২৬৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী দিল আফরোজ পেয়েছেন ১৮৪৪ ভোট। (৪,৫,৬) ওয়ার্ডে শিউলি আক্তার ২৫২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী রিনা খাতুন পেয়েছেন ২৪৮৯ ভোট।
Tuesday, January 27, 2015
আমাকে রাজনীতি থেকে সরানোর হীন ষড়যন্ত্র চলছে
Thursday, September 25, 2014
মেহেরপুর এর রাজনীতি এর ইতিহাস
জাতীয় সংসদ নির্বাচনী এলাকা-৭৩ মেহেরপুর-১ গঠিত হয়েছে সদর উপজেলার ১টি পৌরসভা, ৫টি ইউনিয়ন ও মুজিবনগর উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। এ নির্বাচনী এলাকয় তখন ভোটার ছিলো ১ লাখ ৪২ হাজার ৭১২। মোট ৬৩ টি ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন ৯২ হাজার ৮৮৮ ভোটার। মাত্র দু জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন। ন্যাপের (মোজাফফর) প্রার্থী জমির উদ্দিন সরকারকে ১৬ হাজার ৯০০ ভোটে পরাজিত করে বিজয়ী হন আ.লীগের প্রার্থী মো. ছহিউদ্দিন সে হিসেবে এ আসনের প্রথম সংসদ সদস্য আ.লীগের প্রার্থী মো. ছহিউদ্দিন। বিজয়ী এ প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ৫৬ হাজার ৭৬। আর পরাজিত জমির উদ্দিন সরকারের প্রাপ্ত ভোট ৩৯ হাজার ১৭৬। এ নির্বাচনে ৩ হাজার ৪৩০ ভোট বাতিল হয়।
দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৯ সালের ১৮ ফ্রেব্রয়ারি। এ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আহাম্মদ আলী ৩১ হাজার ৭৯১ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আ.লীগের (মালেক) প্রার্থী মো. ছহিউদ্দিন। তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ১৬ হাজার ১৬০। স্বতন্ত্রপ্রার্থী খন্দকার আমিরুল ইসলামের প্রাপ্ত ভোট ছিলো ৬ হাজার ৫০০। আ. লীগের (মিজান) প্রার্থী ইদ্রিস আলী ৯৭০ ভোট পান।
১৯৮৬ সালের ৭ মে অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে আ.লীগের প্রার্থী মো. ছহিউদ্দিন ৩৩ হাজার ৭৯৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির (জাপা) আমিরুল ইসলামের প্রাপ্ত ভোট ২৪ হাজার ৪৫৩। আর তৃতীয় স্থানে ছিলেন মুসলীম লীগের প্রার্থী আওয়াল হোসেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৯ হাজার ৬৬৬।
১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী রমজান আলী ।
পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯১ সালের ২৭ জানুয়ারি। এ নির্বাচনে আ.লীগের প্রার্থী প্রফেসর আব্দুল মান্নান মাত্র ৮৪২ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির প্রার্থী আহাম্মদ আলীকে পরাজিত করেন। বিজয়ী প্রফেসর আব্দুল মান্নানের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ছিলো ৪০ হাজার ৪৭৪। আর পরাজিত আহাম্মদ আলীর প্রাপ্ত ভোট ৩৯ হাজার ৬৩২। জামায়াতের প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ২৯ হাজার ৪১৮ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন। জাতীয় পার্টির (জাপা) রমজান আলীর প্রাপ্ত ভোট ১ হাজার ৮৩। ন্যাপের প্রার্থী মোজাম্মেল হক ১ হাজার ১০২ এবং জাকের পার্টির এম হাবিব ৩৬৪ ভোট পেয়ে ৬ষ্ঠ হন।
১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী ৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ বি এন পি সমর্থিত আহাম্মদ আলী নির্বাচিত হন , কিন্তু তাতে কোন বড় বিরোধী দলের অংশ গ্রহন ছিল না । তাই ১২ জুন আবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ।
১৯৯৬ সালের ১২ জুন অনুষ্ঠিত হয় সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে মোট ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী আহম্মদ আলী ৬০ হাজার ৬২১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আ.লীগের সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন ৫১ হাজার ৩৬৬ ভোট পান। পরাজয়ের ব্যবধান ৯ হাজার ২৫৫। তৃতীয় হন জামায়াতের প্রার্থী আ.সমীর উদ্দিন। তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ২৩ হাজার ৯২৯। জাতীয় পার্টির (জাপা) রমজান আলী ১ হাজার ৬৫৯, জাকের পার্টির এসএমএ হাবিব ৩৯০ ও গণফোরামের আল আমিন ১২৩ ভোট পান।
অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০০১ সালের ১ অক্টোবর। এ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাসুদ অরুন বিশাল ভোটের ব্যবধানে আ.লীগের প্রার্থী প্রফেসর আব্দুল মান্নানকে পরাজিত করে। বিজয়ী মাসুদ অরুণের প্রাপ্ত ভোট ছিলো ১ লাখ ২ হাজার ২৮। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রফেসর আব্দুল মান্নানের প্রাপ্ত ভোট ৬৯ হাজার ৯৭১। জাতীয় পার্টির (জাপা) মোতাদিম বিল্লাহ ৫ হাজার ৫৩২, স্বতন্ত্রপ্রার্থী সাহাবুদ্দিনের ১ হাজার ৪২৪ ও আরেক স্বতন্ত্রপ্রার্থী এমএ হামিদ মাত্র ১০৯ ভোট পান।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। মোট ২ লাখ ২৩ হাজার ৪০৩ জন ভোটারের মধ্যে ভোট প্রদান করেন ২ লাখ ৬ হাজার ৬১৩ জন। এরমধ্যে বাতিল হয় ৩ হাজার ৩৯৩। এ নির্বাচনে আ.লীগের প্রার্থী জয়নাল আবেদিন বিশাল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। বিজয়ী এ প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিলো ১ লাখ ৭ হাজার ৪৯২, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মাসুদ অরুনের প্রাপ্ত ভোট ছিলো ৬২ হাজার ৭৪৫। তৃতীয় হন জামায়াতের প্রার্থী আ. সমীর উদ্দিন, তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৩০ হাজার ৭৫৬। আর ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. কাছেমী ১ হাজার ৫০৬ ভোট পেয়ে চতুর্থ হন।
২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ নির্বাচনী এলাকায় মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৪৮ হাজার ৩৩৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২২ হাজার ২৪৯ জন, আর মহিলা ভোটার ১ লাখ ২৬ হাজার ৮৭ জন। হিসাব করে দেখা গেছে পুরুষের থেকে ৩ হাজার ৮৩৮ জন মহিলা ভোটার বেশি। এসকল ভোটারদের জন্য ৯৮টি ভোট কেন্দ্র ও ৫২৯টি ভোট কক্ষের ব্যবস্থা করা হয় । ফরহাদ হোসেন ৮০,১৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন । স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়ারুল ইসলাম ফুটবল প্রতীকে ১৩,৯১৯ ভোট পেয়ে পরাজিত হন ।
২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর রবিবার অনুষ্ঠিত হয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনী এলাকায় মোট ভোটারের সংখ্যা ২,৬৯,৬০৫ জন, পুরুষ ভোটার ১,৩৩,৬০৯ জন নারী ভোটার ১,৩৫,৯৯৬ জন মোট প্রার্থী ৫ জন । আওয়ামীলীগ প্রার্থী ফরহাদ হোসেন নৌকা প্রতীকে ভোট পেয়ে ১,৬৯,২০৪ নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মাসুদ অরুন পান ১২,৯৫৯ ভোট । এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আবুল কাশেম কাছেমী ১০২০, জাতীয় পার্টির আব্দুল হামিদ ৯৮০ এবং জাকের পার্টির সাইদুল আলম ৬০৭ ভোট পান।
অপর দিকে মেহেরপুর-(৭৪) ২ (গাংনী) আসনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী সাহিদুজ্জামান খোকন জয়লাভ করেন। তিনি পান ১,৬৯,০১৪ ভোট। তার নিকটতম বিএনপি প্রার্থী জাভেদ মাসুদ মিল্টন পান ৭,৯০০ ভোট ।
Tuesday, August 26, 2014
গাংনী উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদের উপ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বিএনপি সমর্থিত মনিরুজ্জামান মনি তালা প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন এক হাজার ৩৭৩ভোট।
রির্টানিং অফিসার ও গাংনী উপজেলা নির্বাচন অফিসার সরওয়ার হোসেন ভোট গণনা শেষে বিকাল ৫ টার সময় ফলাফল ঘোষণা করেন। তিনি বলেন ১২ হাজার ৬৮৯ভোট পেয়ে আইয়ূব আলী আনারস প্রতিক নিয়ে বেসরকারীভাবে ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি মনিরুজ্জামান মনি পেয়েছেন এক হাজার ৩৭৩ ভোট। নির্বাচনে মোট পোল হয়েছে ১৪২৪০ ভোট । এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ১৭৮টি। ভোট পোলের শতকার হার ৮২.৪৮%।
আজ রবিবার সকাল ৮ টা থেকে ভোট শুরু হয়ে বিকাল ৪ টার সময় শেষ হয়।
নির্বাচন অফিসার মুহাম্মদ সরওয়ার হোসেন জানান, ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদে উপ-নির্বাচনে ১৭ হাজার ১২৯ জন ভোটার তাদের ভোটার ছিলো। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৮ হাজার ৪৪১ জন ও নারী ভোটার ৮ হাজার ৬৮৮ জন।
তিনি আরো জানান, অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠভাবে নির্বাচন শেষ হয়েছে। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
তবে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মনিরুজ্জামান মনি ভোটে জালভোট, ভোটারদের ভয়ভীতি ও কারচুপির অভিযোগ এনে বেলা ১২ টার সময় গাংনী উপজেলা শহীদ মিনার চত্তরে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন বয়কট করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৯ ফেব্রুয়ারী ষোলটাকা ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান সাবদাল হোসেন কালু হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে এটি শুণ্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
Sunday, June 29, 2014
মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাচনে কেন্দ্র ভিত্তিক ফলাফল
০১ মিশন সঃ প্রাঃ বিঃ ৯১২ ১২১০
০২ সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ১০১৮ ১৪৬৬
০৩ তাঁতীপাড়া দাখিল মাদ্রাস ৫৮৪ ১০৮৩
০৪ কাদাচাঁদপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ৩৪২ ৬১০
০৫ এস.এম সঃ প্রাঃ বিঃ ৬৯৫ ১৫৩৩
০৬ বড় বাজার সঃ প্রাঃ বিঃ ৭০০ ১১০৪
০৭ পৌর সঃ প্রাঃ বিঃ ৬৩৫ ৮৭৯
০৮ সরকারী উচ্চ বালক বিদ্যালয় ১১৯০ ১২৮৯
০৯ মেহেরপুর মাধ্যঃ বালিকা বিদ্যালয় ৮৪১ ৭৬৪
১০ মেহেরপুর দারুল উলুম আহমদিয়া ফাঃ মাদ্র ৮৩০ ১৩২১
১১ তেরঘরিয়া সঃ প্রাঃ বিঃ ৯৫১ ৭৪২
১২ রুদ্রনগর সঃ প্রাঃ বিঃ ৪৭৭ ৪১৯
১৩ শোলমারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১০৪৮ ৮৭২
১৪ শোলমারী সঃ প্রাঃ বিঃ ১০২৯ ৯০৪
১৫ শুভরাজপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ১০১১ ৪৮৫
১৬ কুতুবপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ১৮১৪ ১০০০
১৭ চাঁদপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ১০৫০ ৯৮৭
১৮ কুলবাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৯৮৯ ১২৬৪
১৯ উজলপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ৭২৩ ৯৪৮
২০ উজলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৬৭৮ ১০৫৯
২১ সুবিদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১১৯৭ ১০২৯
২২ কালিগাংনী সঃ প্রাঃ বিঃ ১০৯০ ৮৫৪
২৩ উত্তর শালিকা সঃ প্রাঃ বিঃ ৭৬৮ ৬৮৫
২৪ ইছাখালী সঃ প্রাঃ বিঃ ৭৮৯ ১২২১
২৫ ফতেপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ৭১৯ ৬৪০
২৬ হরিরামপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ১১৮৮ ৮০১
২৭ বুড়িপোতা সঃ প্রাঃ বিঃ ১৪০৩ ৬৮৮
২৮ গোভিপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ১১৯০ ১০৪২
২৯ যাদবপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ৫০২ ১১২৪
৩০ রাজাপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ৯৬৫ ৯৭১
৩১ রাধাকান্তপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ১০৫৯ ৯০৩
৩২ শালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮২৫ ৬৪৩
৩৩ শালিকা সঃ প্রাঃ বিঃ ৭২৫ ৭৩৪
৩৪ বাড়িবাকা সঃ প্রাঃ বিঃ ৫৫৮ ৮২৬
৩৫ ঝাউবাড়ীয়া সঃ প্রাঃ বিঃ ১০৩৮ ১৪১৪
৩৬ হান্নান গঞ্জ সঃ প্রাঃ বিঃ (মদনাডাঙ্গা) ১২৪৮ ৯৫৮
৩৭ গোপালপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ৮০২ ১১২৭
৩৮ আলমপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ৪১৩ ৮০৮
৩৯ শ্যামপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ৯৪৭ ১০৭৩
৪০ শ্যামপুর বালিকা বিদ্যালয় ৮৫৮ ১২০৪
৪১ কোলা সঃ প্রাঃ বিঃ ১০৬৭ ১০৮৫
৪২ দফরপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ৪৪৩ ৭১৫
৪৩ চাঁদবিল সঃ প্রাঃ বিঃ ১০৫৮ ৯১৫
৪৪ ময়ামারী সঃ প্রাঃ বিঃ ৬৫০ ৪৬৯
৪৫ খোকসা সঃ প্রাঃ বিঃ ৮৯৭ ১০১৭
৪৬ আমঝুপি সঃ বালক প্রাঃ বিঃ ৮৮৬ ৭৯৭
৪৭ আমঝুপি সঃ বালিকা প্রাঃ বিঃ ৮৪২ ৮৮৯
৪৮ আমঝুপি উত্তরপাড়া সঃ প্রাঃ বিঃ ১৩৬১ ৮২৭
৪৯ হিজুলী সঃ প্রাঃ বিঃ ৮৩৭ ১৬৫৮
৫০ রঘুনাথপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ৭৮২ ৬২৪
৫১ রাইপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ১৩৩১ ১৭৩৬
৫২ বামনপাড়া সঃ প্রাঃ বিঃ ৯৬৭ ১২৫৪
৫৩ আমদহ সঃ প্রাঃ বিঃ ১১৫৯ ৮৩০
৫৪ চকশ্যামনগর সঃ প্রাঃ বিঃ ৬৯৮ ১১৬৩
৫৫ আশরাফপুর পশ্চিমপাড়া সঃ প্রাঃ বিঃ ৬১২ ১৩৫৩
৫৬ আশরাফুর পুর্বপাড়া সঃ প্রাঃ বিঃ ১০২৩ ৬১০
৫৭ ইসলামপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ৭৪৬ ৯৯০
৫৮ টেংরামারী সঃ প্রাঃ বিঃ ৯৪৫ ৮২২
৫৯ পিরোজপুর প্রাঃ বিঃ ১২৮৬ ৮৬৫
৬০ পিরোজপুর দাখিল মাদ্রাসা ৭০০ ৫৪৪
৬১ পিরোজপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ১৪৬৯ ৭৩৩
৬২ রাজনগর সঃ প্রাঃ বিঃ ১৪৯৭ ১২৮৭
৬৩ মোমিনপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ১৩৫৮ ১৫৪৬
৬৪ হাসানাবাদ সঃ প্রাঃ বিঃ ১০৪১ ১১১২
৬৫ নতুন দরবেশপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ১০৪৪ ১২৩০
৬৬ সিংহাটি সঃ প্রাঃ বিঃ ৮৭০ ১২১৪
৬৭ বলিয়ারপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ১২৪৮ ১২৬৬
৬৮ গহরপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ৬৭৮ ৪৮৫
৬৯ কাঠালপোতা সঃ প্রাঃ বিঃ ১০৭৩ ৯৬১
৭০ সোনাপুর সঃ প্রাঃ বিঃ ৯১৬ ৩০৯
সর্বমোট ৬৫২৮৫ ৬৭৯৯০
মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাচন।। চার দলীয় জোটের জয়
মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি নেতৃাত্বাধীন ১৯ দলীয় জোটের চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট মারুফ আহম্মেদ বিজন (কাপ-পিরিচ) ৬৭ হাজার ৯৯০ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আওয়ামীলীগ সমর্থিত গোলাম রসুল (আনারস মার্কা) প্রতীকে পেয়েছেন ৬৫ হাজার ২৮৫ ভোট । চেয়ারম্যান পদে জয়-পরাজয় হয়েছে ২৭০৫ ভোটে।
এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী জামায়াতের মাহবুব উল আলম (চশমা ) প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৭১৬ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী আওয়ামীলীগের আব্দুর রব বিশ্বাস (টিউবওয়েল মার্কা) প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫হাজার ৭৬ ভোট।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত রোমানা আহম্মেদ (কলস) মার্কা প্রতীকে ৬৭ হাজার ৯০৭ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় বারের মত বেসরকারীভাবে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আওয়ামীলীগ সমর্থিত সামিউন বাসিরা পলি (হাঁস) মার্কা প্রতীকে পেয়েছেন ৬০ হাজার ৫৪৮ ভোট। এছাড়া বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ফয়েজ মহাম্মদ (তালা ) প্রতীকে পেয়েছেন ১০ হাজার ১০ ভোট ।
উল্লেখ্য, সদর উপজেলায় ১ টি পৌরসভা ও ৫ টি ইউনিয়নে মোট ভোট সংখ্যা ১ লাখ ৭৮ হাজার ৫৫০ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ছিল-৭০ টি।
Thursday, June 26, 2014
মেহেরপুর সদর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্জ মোতাছিম বিল্লাহ মতু ও গাংনী পৌরসভায় আওয়ামীলীগ প্রার্থী আহম্মদ আলী জয়ী
মেহেরপুরের দু’টি পৌরসভার মধ্যে মেহেরপুর সদর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র হিসেবে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্জ মোতাছিম বিল্লাহ মতু ও গাংনী পৌরসভায় আওয়ামীলীগ প্রার্থী আহম্মদ আলী জয়ী হয়েছেন।
মেহেরপুর সদর পৌরসভা নির্বাচনে বর্তমান মেয়র স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ মোতাছিম বিল্লাহ মতু (আনারস) ৭ হাজার ৮’শ ৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বিএনপি প্রার্থী জাহাঙ্গীর বিশ্বাস (দোয়াত কলম) পেয়েছেন ৭ হাজার ২’শ ৪৪ ভোট এবং আওয়ামীলীগ প্রার্থী অ্যাডঃ ইয়ারুল ইসলাম (তালা) ৫ হাজার ৯’শ ৫৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে।এছাড়া বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্র্থী আব্দুর রহমান পেয়েছে ৯শ ৭৭ ভোট এবং জাতীয় পার্টি (এরশাদ) সমর্থিত প্রার্র্থী মসলেম আলী পেয়েছে ৭০ ভোট।
গাংনী পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী আহাম্মদ আলী (দেয়াল ঘড়ি) ৪ হাজার ৪’শ ৪৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি চার দলীয় জোট মনোনিত প্রার্থী জামায়াতের ডাঃ রবিউল ইসলাম (কাপ-পিরিচ) পেয়েছেন ৪ হাজার ১’শ ৯৮ ভোট। এছাড়া আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ মহসীন (তালা)২ হাজার ৭’শ ৫৯ ভোট, মোশারফ হোসেন (আনারস)৯’শ ১২ ভোট, এবং বিএনপি থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে গোলাম মেহেদী (টেলিভিশন) পেয়েছেন ৮’শ ১১ ভোট।
























